বাগেরহাটের কয়লাভিত্তিক রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র গত মাসে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন এক রেকর্ড স্থাপন করেছে। এপ্রিল মাসে সারাদেশে বয়ে যাওয়া তীব্র তাপপ্রবাহ এবং বিদ্যুতের উচ্চ চাহিদার মধ্যে কেন্দ্রটি ৭৬০ মিলিয়ন ইউনিটেরও বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে। এই উৎপাদন দেশের মোট জাতীয় বিদ্যুৎ চাহিদার ৯ শতাংশেরও বেশি মেটাতে সক্ষম হয়েছে।
বাংলাদেশ–ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রা.) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রমানাথ পূজারি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিটে কয়লা সরবরাহের কোনো ঘাটতি ছিল না। ফলে সর্বোচ্চ চাহিদার সময়েও কেন্দ্রটি প্রায় পূর্ণ সক্ষমতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পেরেছে।
রমানাথ পূজারি আরও বলেন, কেন্দ্রের উন্নত নকশা, শক্তিশালী প্রকৌশলগত সক্ষমতা এবং কর্মীদের নিরলস পরিশ্রমের ফলেই এই অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। এই রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার একটি সফল উদাহরণ। আগামী দিনগুলোতেও বিদ্যুৎ উৎপাদনের এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
বাগেরহাটের কয়লাভিত্তিক রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র গত মাসে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন এক রেকর্ড স্থাপন করেছে। এপ্রিল মাসে সারাদেশে বয়ে যাওয়া তীব্র তাপপ্রবাহ এবং বিদ্যুতের উচ্চ চাহিদার মধ্যে কেন্দ্রটি ৭৬০ মিলিয়ন ইউনিটেরও বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে। এই উৎপাদন দেশের মোট জাতীয় বিদ্যুৎ চাহিদার ৯ শতাংশেরও বেশি মেটাতে সক্ষম হয়েছে।
বাংলাদেশ–ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রা.) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রমানাথ পূজারি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিটে কয়লা সরবরাহের কোনো ঘাটতি ছিল না। ফলে সর্বোচ্চ চাহিদার সময়েও কেন্দ্রটি প্রায় পূর্ণ সক্ষমতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পেরেছে।
রমানাথ পূজারি আরও বলেন, কেন্দ্রের উন্নত নকশা, শক্তিশালী প্রকৌশলগত সক্ষমতা এবং কর্মীদের নিরলস পরিশ্রমের ফলেই এই অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। এই রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার একটি সফল উদাহরণ। আগামী দিনগুলোতেও বিদ্যুৎ উৎপাদনের এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন