পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে নিজের শক্তিশালী ঘাঁটি ভবানীপুরে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভাবনীয় পরাজয়কে হিন্দুত্ববাদের জয় হিসেবে অভিহিত করেছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। ১৫ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী হওয়ার পর তিনি দাবি করেন, এই ফলাফলের মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক জীবনের অবসর নিশ্চিত হয়েছে।
সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শুভেন্দু জানান, নির্দিষ্ট কিছু সম্প্রদায়ের ভোট মমতার পক্ষে গেলেও হিন্দু, শিখ, জৈন এবং বৌদ্ধ ভোটারদের আশীর্বাদে তিনি বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর মতে, মুসলিম ভোটাররা প্রকাশ্যে তৃণমূল নেত্রীকে সমর্থন করলেও অন্যান্য ধর্মাবলম্বী ও ভাষাভাষী ভোটাররা তাঁকে ভোট দেওয়ায় এই জয় সম্ভব হয়েছে। বিজয় নিশ্চিত হওয়ার পর তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে জয়ের ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছিলেন বলেও উল্লেখ করেন।
শুভেন্দু অধিকারী এই ফলাফলকে 'অরাজক শাসকের' বিরুদ্ধে জনগণের রায় হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের নির্বাচনের পর এটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে শুভেন্দুর দ্বিতীয় ব্যক্তিগত বিজয়। এই জয়কে তিনি আদর্শিক জয় হিসেবে দেখছেন এবং একে রাজনৈতিক পালাবদলের ইঙ্গিত বলে মনে করছেন।
অন্যদিকে, ভবানীপুর কেন্দ্রে পরাজিত হওয়ার পর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এই ফলাফলকে 'অনৈতিক' আখ্যা দিয়ে দাবি করেন, নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি যোগসাজশ করে শতাধিক আসন লুট করেছে। প্রায় ৬০ হাজার ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি ভবিষ্যতে আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে নিজের শক্তিশালী ঘাঁটি ভবানীপুরে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভাবনীয় পরাজয়কে হিন্দুত্ববাদের জয় হিসেবে অভিহিত করেছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। ১৫ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী হওয়ার পর তিনি দাবি করেন, এই ফলাফলের মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক জীবনের অবসর নিশ্চিত হয়েছে।
সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শুভেন্দু জানান, নির্দিষ্ট কিছু সম্প্রদায়ের ভোট মমতার পক্ষে গেলেও হিন্দু, শিখ, জৈন এবং বৌদ্ধ ভোটারদের আশীর্বাদে তিনি বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর মতে, মুসলিম ভোটাররা প্রকাশ্যে তৃণমূল নেত্রীকে সমর্থন করলেও অন্যান্য ধর্মাবলম্বী ও ভাষাভাষী ভোটাররা তাঁকে ভোট দেওয়ায় এই জয় সম্ভব হয়েছে। বিজয় নিশ্চিত হওয়ার পর তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে জয়ের ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছিলেন বলেও উল্লেখ করেন।
শুভেন্দু অধিকারী এই ফলাফলকে 'অরাজক শাসকের' বিরুদ্ধে জনগণের রায় হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের নির্বাচনের পর এটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে শুভেন্দুর দ্বিতীয় ব্যক্তিগত বিজয়। এই জয়কে তিনি আদর্শিক জয় হিসেবে দেখছেন এবং একে রাজনৈতিক পালাবদলের ইঙ্গিত বলে মনে করছেন।
অন্যদিকে, ভবানীপুর কেন্দ্রে পরাজিত হওয়ার পর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এই ফলাফলকে 'অনৈতিক' আখ্যা দিয়ে দাবি করেন, নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি যোগসাজশ করে শতাধিক আসন লুট করেছে। প্রায় ৬০ হাজার ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি ভবিষ্যতে আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন