কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষকদের সহায়তায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় ৭ হাজার ৫০০ জন কৃষক-কৃষাণীর মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (৪ মে) সকাল ১১টায় সদর উপজেলা পরিষদ হলরুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় এই বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল। সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মারুফ আফজাল রাজনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুনাইন বিন জামান।
উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের কৃষকদের মাঝে জনপ্রতি ৫ কেজি আউশ বীজ (ব্রি ধান-৯৮), ১০ কেজি ডিএপি এবং ১০ কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হচ্ছে। ‘ব্রি ধান-৯৮’ জাতটি আউশ মৌসুমের জন্য অত্যন্ত উপযোগী, যা খরা ও পোকামাকড় সহনশীল এবং মাত্র ১১২ দিনের মধ্যে ফলন দেয়। উচ্চফলনশীল এই জাতের চাল চিকন ও লম্বা হয় এবং প্রতি হেক্টরে প্রায় ৫ টন পর্যন্ত ফলন দিতে সক্ষম।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এই উচ্চফলনশীল ধান চাষের মাধ্যমে একই জমিতে বছরে একাধিকবার ফসল ফলানো সম্ভব হবে, যা জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কৃষি বিভাগ আশা করছে, এই প্রণোদনার ফলে কৃষকরা কম খরচে অধিক ফলন উৎপাদনে উৎসাহিত হবেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আনিসুল হক মাহমুদ।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষকদের সহায়তায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় ৭ হাজার ৫০০ জন কৃষক-কৃষাণীর মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (৪ মে) সকাল ১১টায় সদর উপজেলা পরিষদ হলরুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় এই বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল। সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মারুফ আফজাল রাজনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুনাইন বিন জামান।
উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের কৃষকদের মাঝে জনপ্রতি ৫ কেজি আউশ বীজ (ব্রি ধান-৯৮), ১০ কেজি ডিএপি এবং ১০ কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হচ্ছে। ‘ব্রি ধান-৯৮’ জাতটি আউশ মৌসুমের জন্য অত্যন্ত উপযোগী, যা খরা ও পোকামাকড় সহনশীল এবং মাত্র ১১২ দিনের মধ্যে ফলন দেয়। উচ্চফলনশীল এই জাতের চাল চিকন ও লম্বা হয় এবং প্রতি হেক্টরে প্রায় ৫ টন পর্যন্ত ফলন দিতে সক্ষম।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এই উচ্চফলনশীল ধান চাষের মাধ্যমে একই জমিতে বছরে একাধিকবার ফসল ফলানো সম্ভব হবে, যা জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কৃষি বিভাগ আশা করছে, এই প্রণোদনার ফলে কৃষকরা কম খরচে অধিক ফলন উৎপাদনে উৎসাহিত হবেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আনিসুল হক মাহমুদ।

আপনার মতামত লিখুন