যুক্তরাষ্ট্রের শুরু করা ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ কার্যক্রমকে একটি অচল অবস্থা বা ‘ডেডলক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন। আরাগচি স্পষ্টভাবে জানান যে, চলমান রাজনৈতিক সংকটের কোনো সামরিক সমাধান নেই।
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যখন শান্তি আলোচনা এগিয়ে চলছে, ঠিক তখনই যুক্তরাষ্ট্রের এমন পদক্ষেপকে অশুভ শক্তির প্ররোচনা হিসেবে দেখছে তেহরান। আরাগচি সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত হবে না পুনরায় কোনো ‘চোরাবালিতে’ জড়িয়ে পড়া। একই ধরনের সতর্কবার্তা তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য বলে উল্লেখ করেন।
মূলত হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া বিভিন্ন দেশের বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে বের করে নিতে সোমবার সকাল থেকে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে একটি সামরিক অভিযান শুরু করে মার্কিন বাহিনী। তবে ইরান এই অভিযানকে বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন বলে দাবি করেছে।
ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এই ধরনের কার্যক্রম তারা যেকোনো মূল্যে প্রতিরোধ করবে। আল জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও জাহাজ চলাচল নিয়ে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা এখন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। ইরান মনে করে, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান না খুঁজে সামরিক শক্তি প্রয়োগ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের শুরু করা ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ কার্যক্রমকে একটি অচল অবস্থা বা ‘ডেডলক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন। আরাগচি স্পষ্টভাবে জানান যে, চলমান রাজনৈতিক সংকটের কোনো সামরিক সমাধান নেই।
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যখন শান্তি আলোচনা এগিয়ে চলছে, ঠিক তখনই যুক্তরাষ্ট্রের এমন পদক্ষেপকে অশুভ শক্তির প্ররোচনা হিসেবে দেখছে তেহরান। আরাগচি সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত হবে না পুনরায় কোনো ‘চোরাবালিতে’ জড়িয়ে পড়া। একই ধরনের সতর্কবার্তা তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য বলে উল্লেখ করেন।
মূলত হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া বিভিন্ন দেশের বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে বের করে নিতে সোমবার সকাল থেকে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে একটি সামরিক অভিযান শুরু করে মার্কিন বাহিনী। তবে ইরান এই অভিযানকে বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন বলে দাবি করেছে।
ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এই ধরনের কার্যক্রম তারা যেকোনো মূল্যে প্রতিরোধ করবে। আল জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও জাহাজ চলাচল নিয়ে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা এখন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। ইরান মনে করে, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান না খুঁজে সামরিক শক্তি প্রয়োগ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

আপনার মতামত লিখুন