চট্টগ্রামের আনোয়ারায় কোরিয়ান এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন (কেইপিজেড) এলাকায় গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলা এই সহিংসতায় পুলিশ সদস্যসহ অন্তত বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। হামলাকারীরা পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর এবং শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি চালিয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার সন্ধ্যায় কেইপিজেড এলাকায় অবৈধভাবে গাছ কাটতে আসা একটি চক্রকে নিরাপত্তাকর্মীরা বাধা দিলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে গাছ কাটা চক্রের সদস্যরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর চড়াও হয়। রাত ৮টার পর থেকে শুরু হওয়া ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া রাত সাড়ে ৯টার দিকে দক্ষিণ গেট এলাকায় বড় ধরনের সংঘর্ষে রূপ নেয়।
এর আগে গত ৩০ এপ্রিল রাতে একই এলাকায় গাছ কাটতে বাধা দেওয়ায় তোবারক আলী নামের এক নিরাপত্তাকর্মীকে পিটিয়ে হাত ভেঙে দেয় এই চক্রটি। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামিদের ধরতে পুলিশ অভিযানে নামলে সালাউদ্দিন নামে এক ব্যক্তির অনুসারীরা দা, কিরিচ ও রামদাসহ সংঘবদ্ধ হয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করে এবং কেইপিজেডের ভেতরের স্থাপনায় হামলা চালায়।
শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পরিদর্শক মিজানুর রহমান জানান, নিরাপত্তাকর্মীরা পুলিশকে তথ্য দিয়েছে— এমন সন্দেহ থেকে হামলাকারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। কেইপিজেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক মুশফিকুর রহমান জানিয়েছেন, মামলা ও আইনি পদক্ষেপের কারণেই এই সহিংসতা শুরু হয়েছে।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (কর্ণফুলী) জামাল উদ্দিন চৌধুরী জানিয়েছেন, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হামলাকারীদের শনাক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় কোরিয়ান এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন (কেইপিজেড) এলাকায় গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলা এই সহিংসতায় পুলিশ সদস্যসহ অন্তত বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। হামলাকারীরা পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর এবং শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি চালিয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার সন্ধ্যায় কেইপিজেড এলাকায় অবৈধভাবে গাছ কাটতে আসা একটি চক্রকে নিরাপত্তাকর্মীরা বাধা দিলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে গাছ কাটা চক্রের সদস্যরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর চড়াও হয়। রাত ৮টার পর থেকে শুরু হওয়া ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া রাত সাড়ে ৯টার দিকে দক্ষিণ গেট এলাকায় বড় ধরনের সংঘর্ষে রূপ নেয়।
এর আগে গত ৩০ এপ্রিল রাতে একই এলাকায় গাছ কাটতে বাধা দেওয়ায় তোবারক আলী নামের এক নিরাপত্তাকর্মীকে পিটিয়ে হাত ভেঙে দেয় এই চক্রটি। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামিদের ধরতে পুলিশ অভিযানে নামলে সালাউদ্দিন নামে এক ব্যক্তির অনুসারীরা দা, কিরিচ ও রামদাসহ সংঘবদ্ধ হয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করে এবং কেইপিজেডের ভেতরের স্থাপনায় হামলা চালায়।
শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পরিদর্শক মিজানুর রহমান জানান, নিরাপত্তাকর্মীরা পুলিশকে তথ্য দিয়েছে— এমন সন্দেহ থেকে হামলাকারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। কেইপিজেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক মুশফিকুর রহমান জানিয়েছেন, মামলা ও আইনি পদক্ষেপের কারণেই এই সহিংসতা শুরু হয়েছে।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (কর্ণফুলী) জামাল উদ্দিন চৌধুরী জানিয়েছেন, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হামলাকারীদের শনাক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন