হরমুজ প্রণালি সচল করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন উদ্যোগের প্রতিক্রিয়ায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর এই প্রথম আমিরাত সরাসরি ইরানি হামলার শিকার হওয়ার কথা জানালো। মার্কিন সংবাদ সংস্থা এপি’র বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরান তাদের লক্ষ্য করে চারটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এর মধ্যে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ভূপাতিত করা সম্ভব হলেও একটি সমুদ্রে গিয়ে পড়ে। এছাড়া দেশটির ফুজাইরাহ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, একটি ইরানি ড্রোনের আঘাতে একটি প্রধান তেল স্থাপনায় অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে, যেখানে তিন ভারতীয় নাগরিক আহত হয়েছেন। ব্রিটিশ সামরিক বাহিনীর তথ্যমতে, আমিরাত উপকূলে দুটি মালবাহী জাহাজেও আগুন লেগেছে।
এই হামলার ঘটনাটি এমন সময় ঘটলো যখন যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ অভিযানের অধীনে মার্কিন পতাকাবাহী দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ সফলভাবে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। মূলত অবরুদ্ধ এই জলপথে আটকে থাকা শত শত জাহাজকে নিরাপদে বের করে আনতে এবং নৌচলাচল স্বাভাবিক করতে সোমবার থেকে এই বিশেষ উদ্যোগ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন নৌবাহিনীর গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ারগুলো বর্তমানে এই প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে নিরাপত্তা দিচ্ছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অভিযানকে একটি ‘মানবিক উদ্যোগ’ হিসেবে বর্ণনা করে সতর্ক করেছেন যে, জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়ার যেকোনো ইরানি প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অন্যদিকে ইরান এই পদক্ষেপকে গত তিন সপ্তাহের ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা ট্রাম্পের এই উদ্যোগকে তার ‘বিকারগ্রস্ততা’ হিসেবে মন্তব্য করেছে।
বর্তমানে ইরান ও ওমানের মধ্যবর্তী এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি কার্যত বন্ধ থাকায় বিশ্বব্যাপী জ্বালানির দাম এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক উদ্বেগ চরম পর্যায়ে রয়েছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র ওমান জলসীমা দিয়ে একটি ‘নিরাপদ বলয়’ তৈরির চেষ্টা করছে, তবে নতুন করে এই হামলার পর জাহাজ কোম্পানিগুলো এই ঝুঁকিপূর্ণ পথে চলাচলের বিষয়ে পুনরায় সন্দিহান হয়ে পড়েছে। এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান এই প্রণালি বন্ধ করে দিলে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধাক্কা লাগে।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
হরমুজ প্রণালি সচল করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন উদ্যোগের প্রতিক্রিয়ায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর এই প্রথম আমিরাত সরাসরি ইরানি হামলার শিকার হওয়ার কথা জানালো। মার্কিন সংবাদ সংস্থা এপি’র বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরান তাদের লক্ষ্য করে চারটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এর মধ্যে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ভূপাতিত করা সম্ভব হলেও একটি সমুদ্রে গিয়ে পড়ে। এছাড়া দেশটির ফুজাইরাহ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, একটি ইরানি ড্রোনের আঘাতে একটি প্রধান তেল স্থাপনায় অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে, যেখানে তিন ভারতীয় নাগরিক আহত হয়েছেন। ব্রিটিশ সামরিক বাহিনীর তথ্যমতে, আমিরাত উপকূলে দুটি মালবাহী জাহাজেও আগুন লেগেছে।
এই হামলার ঘটনাটি এমন সময় ঘটলো যখন যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ অভিযানের অধীনে মার্কিন পতাকাবাহী দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ সফলভাবে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। মূলত অবরুদ্ধ এই জলপথে আটকে থাকা শত শত জাহাজকে নিরাপদে বের করে আনতে এবং নৌচলাচল স্বাভাবিক করতে সোমবার থেকে এই বিশেষ উদ্যোগ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন নৌবাহিনীর গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ারগুলো বর্তমানে এই প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে নিরাপত্তা দিচ্ছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অভিযানকে একটি ‘মানবিক উদ্যোগ’ হিসেবে বর্ণনা করে সতর্ক করেছেন যে, জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়ার যেকোনো ইরানি প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অন্যদিকে ইরান এই পদক্ষেপকে গত তিন সপ্তাহের ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা ট্রাম্পের এই উদ্যোগকে তার ‘বিকারগ্রস্ততা’ হিসেবে মন্তব্য করেছে।
বর্তমানে ইরান ও ওমানের মধ্যবর্তী এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি কার্যত বন্ধ থাকায় বিশ্বব্যাপী জ্বালানির দাম এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক উদ্বেগ চরম পর্যায়ে রয়েছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র ওমান জলসীমা দিয়ে একটি ‘নিরাপদ বলয়’ তৈরির চেষ্টা করছে, তবে নতুন করে এই হামলার পর জাহাজ কোম্পানিগুলো এই ঝুঁকিপূর্ণ পথে চলাচলের বিষয়ে পুনরায় সন্দিহান হয়ে পড়েছে। এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান এই প্রণালি বন্ধ করে দিলে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধাক্কা লাগে।

আপনার মতামত লিখুন