রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ১১টি ছাত্র হলে কমিটি ঘোষণা করেছে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ। সোমবার রাতে সংগঠনটির রাবি শাখার সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বাবু ও সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লাহ-হিল-গালিবের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়। পলাতক থাকা অবস্থায় ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান বাবু নিজের ফেসবুক আইডি থেকে এই কমিটিগুলো প্রকাশ করেন।
ঘোষিত তালিকায় ছেলেদের ১১টি হলের প্রতিটিতে শুধুমাত্র সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। মজার বিষয় হলো, গণঅভ্যুত্থানের পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তন করে ‘বিজয়-২৪’ রাখা হলেও ছাত্রলীগ তাদের ঘোষণায় পুরোনো নামই ব্যবহার করেছে। এক বছরের জন্য কার্যকর এই কমিটিতে স্থান পাওয়া নেতাদের কেউই বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করছেন না।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণার পর থেকেই এর শীর্ষ নেতারা ভারতে অবস্থান করছেন এবং সেখান থেকেই সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা চালাচ্ছেন। কমিটির সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লাহ-হিল-গালিব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেছেন, সংগঠনকে পুনরায় সক্রিয় ও সংগঠিত করতেই এই নতুন নেতৃত্ব আনা হয়েছে। যদিও তিনি স্বীকার করেছেন যে, কমিটির কেউ বর্তমানে ক্যাম্পাসে নেই।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই কমিটিকে গুরুত্বহীন বলে নাকচ করে দিয়েছে। রাবি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, ক্যাম্পাসের ভেতরে নিষিদ্ধ কোনো সংগঠনের প্রকাশ্যে কার্যক্রম পরিচালনার কোনো সুযোগ নেই। অনলাইনে বা সামাজিক মাধ্যমে তারা যাই ঘোষণা করুক না কেন, বাস্তবে ক্যাম্পাসে তাদের কোনো কার্যকর অবস্থান নেই।
উপাচার্য আরও সতর্ক করে বলেন, অনলাইনে যদি কোনো ধরনের নিষিদ্ধ বা বিতর্কিত কার্যক্রম পরিচালিত হয়, তবে বিষয়টি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে জানানো হবে। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এ ধরনের অপতৎপরতা বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ছাত্রলীগ ক্যাম্পাস ত্যাগ করার পর থেকে তারা আর ক্যাম্পাসে ফিরতে পারেনি।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ১১টি ছাত্র হলে কমিটি ঘোষণা করেছে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ। সোমবার রাতে সংগঠনটির রাবি শাখার সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বাবু ও সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লাহ-হিল-গালিবের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়। পলাতক থাকা অবস্থায় ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান বাবু নিজের ফেসবুক আইডি থেকে এই কমিটিগুলো প্রকাশ করেন।
ঘোষিত তালিকায় ছেলেদের ১১টি হলের প্রতিটিতে শুধুমাত্র সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। মজার বিষয় হলো, গণঅভ্যুত্থানের পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তন করে ‘বিজয়-২৪’ রাখা হলেও ছাত্রলীগ তাদের ঘোষণায় পুরোনো নামই ব্যবহার করেছে। এক বছরের জন্য কার্যকর এই কমিটিতে স্থান পাওয়া নেতাদের কেউই বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করছেন না।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণার পর থেকেই এর শীর্ষ নেতারা ভারতে অবস্থান করছেন এবং সেখান থেকেই সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা চালাচ্ছেন। কমিটির সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লাহ-হিল-গালিব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেছেন, সংগঠনকে পুনরায় সক্রিয় ও সংগঠিত করতেই এই নতুন নেতৃত্ব আনা হয়েছে। যদিও তিনি স্বীকার করেছেন যে, কমিটির কেউ বর্তমানে ক্যাম্পাসে নেই।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই কমিটিকে গুরুত্বহীন বলে নাকচ করে দিয়েছে। রাবি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, ক্যাম্পাসের ভেতরে নিষিদ্ধ কোনো সংগঠনের প্রকাশ্যে কার্যক্রম পরিচালনার কোনো সুযোগ নেই। অনলাইনে বা সামাজিক মাধ্যমে তারা যাই ঘোষণা করুক না কেন, বাস্তবে ক্যাম্পাসে তাদের কোনো কার্যকর অবস্থান নেই।
উপাচার্য আরও সতর্ক করে বলেন, অনলাইনে যদি কোনো ধরনের নিষিদ্ধ বা বিতর্কিত কার্যক্রম পরিচালিত হয়, তবে বিষয়টি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে জানানো হবে। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এ ধরনের অপতৎপরতা বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ছাত্রলীগ ক্যাম্পাস ত্যাগ করার পর থেকে তারা আর ক্যাম্পাসে ফিরতে পারেনি।

আপনার মতামত লিখুন