চীনের হুনান প্রদেশের একটি আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ২১ জন নিহত এবং ৬১ জন আহত হয়েছেন। সোমবার বিকেলে প্রদেশের রাজধানী চাংশার হুয়াশেং ফায়ারওয়ার্কস ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যান্ড ডিসপ্লে কোম্পানিতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় কারখানা সংলগ্ন বেশ কিছু ভবন ধসে পড়েছে এবং পুরো এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে প্রায় ৫০০ জন দমকলকর্মী, উদ্ধারকর্মী ও চিকিৎসক উদ্ধারকাজ পরিচালনা করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে ওই এলাকা থেকে ঘন কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা গেছে। এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দ্রুত পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন এবং দায়ীদের কঠোর জবাবদিহির আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং শিল্পখাতে নিরাপত্তা ঝুঁকি শনাক্তকরণ ও জননিরাপত্তা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। উল্লেখ্য যে, বিশ্ববাজারের দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি আতশবাজি চীন থেকে রপ্তানি করা হয়, যার পরিমাণ গত বছর ছিল প্রায় ১.১৪ বিলিয়ন ডলার। বড় এই শিল্পখাতে এমন প্রাণহানি দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
বর্তমানে আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং উদ্ধার অভিযান শেষে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে। সরকারিভাবে শিল্পাঞ্চলগুলোতে জরুরি নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করে কঠোর তদারকির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মানুষের জীবন ও সম্পদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে শিল্প নিরাপত্তার মানদণ্ড আরও উন্নত করার বিষয়ে জোর দিয়েছে চীন প্রশাসন।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
চীনের হুনান প্রদেশের একটি আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ২১ জন নিহত এবং ৬১ জন আহত হয়েছেন। সোমবার বিকেলে প্রদেশের রাজধানী চাংশার হুয়াশেং ফায়ারওয়ার্কস ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যান্ড ডিসপ্লে কোম্পানিতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় কারখানা সংলগ্ন বেশ কিছু ভবন ধসে পড়েছে এবং পুরো এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে প্রায় ৫০০ জন দমকলকর্মী, উদ্ধারকর্মী ও চিকিৎসক উদ্ধারকাজ পরিচালনা করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে ওই এলাকা থেকে ঘন কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা গেছে। এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দ্রুত পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন এবং দায়ীদের কঠোর জবাবদিহির আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং শিল্পখাতে নিরাপত্তা ঝুঁকি শনাক্তকরণ ও জননিরাপত্তা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। উল্লেখ্য যে, বিশ্ববাজারের দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি আতশবাজি চীন থেকে রপ্তানি করা হয়, যার পরিমাণ গত বছর ছিল প্রায় ১.১৪ বিলিয়ন ডলার। বড় এই শিল্পখাতে এমন প্রাণহানি দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
বর্তমানে আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং উদ্ধার অভিযান শেষে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে। সরকারিভাবে শিল্পাঞ্চলগুলোতে জরুরি নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করে কঠোর তদারকির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মানুষের জীবন ও সম্পদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে শিল্প নিরাপত্তার মানদণ্ড আরও উন্নত করার বিষয়ে জোর দিয়েছে চীন প্রশাসন।

আপনার মতামত লিখুন