যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ আসলে ‘প্রজেক্ট ডেডলক’ বা অচল অবস্থায় পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। সোমবার (৪ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই কড়া প্রতিক্রিয়া জানান। আরাগচি স্পষ্ট করে বলেন, কোনো রাজনৈতিক সংকটের সামরিক সমাধান হতে পারে না।
হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া বিভিন্ন দেশের জাহাজগুলোকে মুক্ত করতে সোমবার সকাল থেকে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে একটি সামরিক অভিযান শুরু করে মার্কিন সেনাবাহিনী। তবে ইরান এই পদক্ষেপকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের শামিল বলে গণ্য করছে। তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের এই ধরনের প্রচেষ্টাকে কঠোরভাবে প্রতিরোধ করবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি তাঁর পোস্টে আরও উল্লেখ করেন যে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যখন আলোচনা ইতিবাচক দিকে এগোচ্ছে, তখন অশুভ শক্তির প্ররোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের উচিত হবে না নতুন কোনো ‘চোরাবালিতে’ জড়িয়ে পড়া। একই ধরনের সতর্কবার্তা তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) প্রতিও উচ্চারণ করেন।
আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও জাহাজ চলাচল নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের এই মুখোমুখি অবস্থান বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন করে অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। বর্তমানে ওই অঞ্চলে মার্কিন দূতাবাসের পক্ষ থেকে সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় উভয় পক্ষই সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ আসলে ‘প্রজেক্ট ডেডলক’ বা অচল অবস্থায় পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। সোমবার (৪ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই কড়া প্রতিক্রিয়া জানান। আরাগচি স্পষ্ট করে বলেন, কোনো রাজনৈতিক সংকটের সামরিক সমাধান হতে পারে না।
হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া বিভিন্ন দেশের জাহাজগুলোকে মুক্ত করতে সোমবার সকাল থেকে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে একটি সামরিক অভিযান শুরু করে মার্কিন সেনাবাহিনী। তবে ইরান এই পদক্ষেপকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের শামিল বলে গণ্য করছে। তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের এই ধরনের প্রচেষ্টাকে কঠোরভাবে প্রতিরোধ করবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি তাঁর পোস্টে আরও উল্লেখ করেন যে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যখন আলোচনা ইতিবাচক দিকে এগোচ্ছে, তখন অশুভ শক্তির প্ররোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের উচিত হবে না নতুন কোনো ‘চোরাবালিতে’ জড়িয়ে পড়া। একই ধরনের সতর্কবার্তা তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) প্রতিও উচ্চারণ করেন।
আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও জাহাজ চলাচল নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের এই মুখোমুখি অবস্থান বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন করে অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। বর্তমানে ওই অঞ্চলে মার্কিন দূতাবাসের পক্ষ থেকে সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় উভয় পক্ষই সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন