ঢাকা নিউজ

ভুয়া ওয়ারেন্ট জালিয়াতি ঠেকাতে ১৩ দফার সুপারিশ



ভুয়া ওয়ারেন্ট জালিয়াতি ঠেকাতে ১৩ দফার সুপারিশ
ছবি : সংগৃহীত

আদালতে ভুয়া ওয়ারেন্ট চক্রের দৌরাত্ম্য নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর জালিয়াতি রোধে ১৩ দফা সুপারিশ করেছে তদন্তে গঠিত জুডিশিয়াল কমিটি। মহানগর দায়রা জজ সাব্বির ফয়েজের নির্দেশে গঠিত ৩ সদস্যের এই কমিটি তদন্তে অনিয়ম ও কয়েকজনের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

সুপারিশে বলা হয়েছে, রেজিস্টার যাচাই ছাড়া কোনো ওয়ারেন্ট গ্রহণ বা রিলিজ করা যাবে না এবং আদালতের কর্মচারী ছাড়া অন্য কেউ রিসিভ শাখায় ওয়ারেন্ট জমা দিতে পারবে না। এছাড়া জিআর শাখা সরাসরি কোনো ওয়ারেন্ট বিতরণ করতে পারবে না এবং ওয়ারেন্টের তথ্য নির্ধারিত ফরম্যাটে সংরক্ষণ ও সিডিএমএসে অন্তর্ভুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

কমিটি চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত ৮টি ভুয়া ওয়ারেন্টের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে। একই সঙ্গে অতীতের ভুয়া ওয়ারেন্ট সংশ্লিষ্ট মামলাগুলো দ্রুত তদন্তের আওতায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আসামি এন্ট্রি ও রিলিজে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু, হাজতখানায় সিসি ক্যামেরার আওতা বাড়ানো এবং প্রতি মাসে ওয়ারেন্ট ইস্যু ও রিলিজের হিসাব আদালতে দাখিলের সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি সিএমএম আদালতের রেকর্ড কিপারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের তদারকি বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদন পাওয়ার পর মহানগর দায়রা জজ সংশ্লিষ্ট বিচারক, পুলিশ, আইনজীবী ও কারা কর্মকর্তাদের নিয়ে মতবিনিময় সভা করেছেন। সভায় সুপারিশগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬


ভুয়া ওয়ারেন্ট জালিয়াতি ঠেকাতে ১৩ দফার সুপারিশ

প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬

featured Image

আদালতে ভুয়া ওয়ারেন্ট চক্রের দৌরাত্ম্য নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর জালিয়াতি রোধে ১৩ দফা সুপারিশ করেছে তদন্তে গঠিত জুডিশিয়াল কমিটি। মহানগর দায়রা জজ সাব্বির ফয়েজের নির্দেশে গঠিত ৩ সদস্যের এই কমিটি তদন্তে অনিয়ম ও কয়েকজনের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

সুপারিশে বলা হয়েছে, রেজিস্টার যাচাই ছাড়া কোনো ওয়ারেন্ট গ্রহণ বা রিলিজ করা যাবে না এবং আদালতের কর্মচারী ছাড়া অন্য কেউ রিসিভ শাখায় ওয়ারেন্ট জমা দিতে পারবে না। এছাড়া জিআর শাখা সরাসরি কোনো ওয়ারেন্ট বিতরণ করতে পারবে না এবং ওয়ারেন্টের তথ্য নির্ধারিত ফরম্যাটে সংরক্ষণ ও সিডিএমএসে অন্তর্ভুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

কমিটি চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত ৮টি ভুয়া ওয়ারেন্টের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে। একই সঙ্গে অতীতের ভুয়া ওয়ারেন্ট সংশ্লিষ্ট মামলাগুলো দ্রুত তদন্তের আওতায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আসামি এন্ট্রি ও রিলিজে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু, হাজতখানায় সিসি ক্যামেরার আওতা বাড়ানো এবং প্রতি মাসে ওয়ারেন্ট ইস্যু ও রিলিজের হিসাব আদালতে দাখিলের সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি সিএমএম আদালতের রেকর্ড কিপারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের তদারকি বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদন পাওয়ার পর মহানগর দায়রা জজ সংশ্লিষ্ট বিচারক, পুলিশ, আইনজীবী ও কারা কর্মকর্তাদের নিয়ে মতবিনিময় সভা করেছেন। সভায় সুপারিশগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ