কুমিল্লায় ২০ দিনের ব্যবধানে পৃথক দুটি স্থানে স্বামীর কাছ থেকে স্ত্রীকে ছিনিয়ে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। সবশেষ গত রোববার রাত ১২টার দিকে চান্দিনা উপজেলার কামারখোলা গ্রামে এক নারী পাশবিক নির্যাতনের শিকার হন। ভুক্তভোগী নারীরা জানান, তারা হামলাকারীদের পায়ে ধরে ইজ্জত ভিক্ষা চাইলেও শেষ রক্ষা হয়নি।
চান্দিনার ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী ও তার স্বামী বরুড়া থেকে অটোরিকশায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। পথে অটোরিকশার চার্জ শেষ হয়ে গেলে তারা সেটি ঠেলে নেওয়ার সময় মোটরসাইকেলে আসা একদল যুবক তাদের পথরোধ করে। অভিযুক্তরা স্বামীকে দূরে আটকে রেখে স্ত্রীকে পাশের ধানখেতে নিয়ে ধর্ষণ করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই নারীকে উদ্ধার করে এবং ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করে।
এর আগে গত ১৫ এপ্রিল কুমিল্লার হোমনা পৌর এলাকায় বাবার বাড়ি যাওয়ার পথে একইভাবে এক গৃহবধূকে স্বামীর কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। কৃষি কলেজের কাছে নির্জন স্থানে নিয়ে তাকে নির্যাতন করা হয়। এই ঘটনায় পুলিশ পাঁচ আসামিকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠিয়েছে।
পরপর ঘটে যাওয়া এসব ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন নাগরিক কমিটির নেতারা বিষয়টিকে সামাজিক নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। কুমিল্লার পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, উভয় ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
কুমিল্লায় ২০ দিনের ব্যবধানে পৃথক দুটি স্থানে স্বামীর কাছ থেকে স্ত্রীকে ছিনিয়ে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। সবশেষ গত রোববার রাত ১২টার দিকে চান্দিনা উপজেলার কামারখোলা গ্রামে এক নারী পাশবিক নির্যাতনের শিকার হন। ভুক্তভোগী নারীরা জানান, তারা হামলাকারীদের পায়ে ধরে ইজ্জত ভিক্ষা চাইলেও শেষ রক্ষা হয়নি।
চান্দিনার ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী ও তার স্বামী বরুড়া থেকে অটোরিকশায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। পথে অটোরিকশার চার্জ শেষ হয়ে গেলে তারা সেটি ঠেলে নেওয়ার সময় মোটরসাইকেলে আসা একদল যুবক তাদের পথরোধ করে। অভিযুক্তরা স্বামীকে দূরে আটকে রেখে স্ত্রীকে পাশের ধানখেতে নিয়ে ধর্ষণ করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই নারীকে উদ্ধার করে এবং ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করে।
এর আগে গত ১৫ এপ্রিল কুমিল্লার হোমনা পৌর এলাকায় বাবার বাড়ি যাওয়ার পথে একইভাবে এক গৃহবধূকে স্বামীর কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। কৃষি কলেজের কাছে নির্জন স্থানে নিয়ে তাকে নির্যাতন করা হয়। এই ঘটনায় পুলিশ পাঁচ আসামিকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠিয়েছে।
পরপর ঘটে যাওয়া এসব ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন নাগরিক কমিটির নেতারা বিষয়টিকে সামাজিক নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। কুমিল্লার পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, উভয় ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

আপনার মতামত লিখুন