মালয়েশিয়ার জোহর বাহরুস্থ পাইনঅ্যাপল টাউন ইমিগ্রেশন ডিপো বিভিন্ন দেশের ১৭০ জন বন্দিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। সোমবার এক বিবৃতিতে ডিপো কর্তৃপক্ষ জানায়, মে মাসের প্রথম সপ্তাহজুড়ে পরিচালিত এই প্রক্রিয়ায় ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে ২৩ জন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন। সবচেয়ে বেশি ১০০ জন নাগরিক ফেরত পাঠানো হয়েছে ইন্দোনেশিয়ায়। এ ছাড়া মিয়ানমার, ভারত, থাইল্যান্ডসহ আরও কয়েকটি দেশের নাগরিকদের তাদের দেশে পাঠানো হয়েছে।
ফেরত পাঠানো এসব অভিবাসীকে কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন সীমান্ত কমপ্লেক্স ও ফেরি টার্মিনালের মাধ্যমে মালয়েশিয়া ত্যাগের ব্যবস্থা করা হয়। বন্দিদের প্রত্যাবাসনের জন্য প্রয়োজনীয় যাতায়াত ব্যয় ও বিমান টিকিটের খরচ তাদের ব্যক্তিগত সঞ্চয়, পরিবারের আর্থিক সহায়তা অথবা সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসের পক্ষ থেকে বহন করা হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।
প্রত্যাবাসিত এই অভিবাসীরা মালয়েশিয়ার মাদক আইন, ইমিগ্রেশন আইন ও বিধিমালাসহ বিভিন্ন অপরাধে সাজা ভোগ করার পর মুক্তির অপেক্ষায় ইমিগ্রেশন ডিপোতে ছিলেন। সাজা শেষ হওয়ায় তাদের আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, ফেরত পাঠানো এই সকল ব্যক্তিকে এরই মধ্যে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে নির্ধারিত সময়ের আগে তারা কোনো উদ্দেশ্যেই পুনরায় মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে পারবেন না। দেশের ভাবমূর্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইমিগ্রেশন বিভাগ এই কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
মালয়েশিয়ার জোহর বাহরুস্থ পাইনঅ্যাপল টাউন ইমিগ্রেশন ডিপো বিভিন্ন দেশের ১৭০ জন বন্দিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। সোমবার এক বিবৃতিতে ডিপো কর্তৃপক্ষ জানায়, মে মাসের প্রথম সপ্তাহজুড়ে পরিচালিত এই প্রক্রিয়ায় ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে ২৩ জন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন। সবচেয়ে বেশি ১০০ জন নাগরিক ফেরত পাঠানো হয়েছে ইন্দোনেশিয়ায়। এ ছাড়া মিয়ানমার, ভারত, থাইল্যান্ডসহ আরও কয়েকটি দেশের নাগরিকদের তাদের দেশে পাঠানো হয়েছে।
ফেরত পাঠানো এসব অভিবাসীকে কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন সীমান্ত কমপ্লেক্স ও ফেরি টার্মিনালের মাধ্যমে মালয়েশিয়া ত্যাগের ব্যবস্থা করা হয়। বন্দিদের প্রত্যাবাসনের জন্য প্রয়োজনীয় যাতায়াত ব্যয় ও বিমান টিকিটের খরচ তাদের ব্যক্তিগত সঞ্চয়, পরিবারের আর্থিক সহায়তা অথবা সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসের পক্ষ থেকে বহন করা হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।
প্রত্যাবাসিত এই অভিবাসীরা মালয়েশিয়ার মাদক আইন, ইমিগ্রেশন আইন ও বিধিমালাসহ বিভিন্ন অপরাধে সাজা ভোগ করার পর মুক্তির অপেক্ষায় ইমিগ্রেশন ডিপোতে ছিলেন। সাজা শেষ হওয়ায় তাদের আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, ফেরত পাঠানো এই সকল ব্যক্তিকে এরই মধ্যে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে নির্ধারিত সময়ের আগে তারা কোনো উদ্দেশ্যেই পুনরায় মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে পারবেন না। দেশের ভাবমূর্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইমিগ্রেশন বিভাগ এই কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

আপনার মতামত লিখুন