ঢাকায় অবস্থিত পাকিস্তান হাইকমিশন যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘মারকা-ই-হক’ বা ‘সত্যের লড়াই’-এর প্রথম বার্ষিকী উদযাপন করেছে। রোববার (১০ মে) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক এবং বাংলাদেশে বসবাসরত পাকিস্তানি সম্প্রদায়ের সদস্যরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানদের বিশেষ বাণী পাঠ করা হয়, যেখানে দেশটির সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনী ও জনগণের সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়।
পাকিস্তানের নেতৃত্বের পাঠানো বাণীতে উল্লেখ করা হয়, দেশটির সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত। একই সঙ্গে কাশ্মীরি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের প্রতি নীতিগত সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে বলা হয়, জম্মু ও কাশ্মীর সমস্যার ন্যায়সঙ্গত সমাধান ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ায় স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। বক্তারা পাকিস্তানকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার অন্যতম অংশীদার হিসেবে অভিহিত করেন।
বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার তার বক্তব্যে বলেন, যেকোনো বহিঃশত্রুর আগ্রাসনের মুখে পাকিস্তানের জনগণ ও বাহিনী ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ রক্ষায় দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে। অনুষ্ঠানে সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে পাকিস্তানের অটল অবস্থানের কথা তুলে ধরার পাশাপাশি দেশটির শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।
বার্ষিকী উপলক্ষে হাইকমিশন প্রাঙ্গণে ‘মারকা-ই-হক’-এর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত নিয়ে একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনী এবং পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানটি শেষ হয় বিশেষ মোনাজাত ও দোয়ার মধ্য দিয়ে।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
ঢাকায় অবস্থিত পাকিস্তান হাইকমিশন যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘মারকা-ই-হক’ বা ‘সত্যের লড়াই’-এর প্রথম বার্ষিকী উদযাপন করেছে। রোববার (১০ মে) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক এবং বাংলাদেশে বসবাসরত পাকিস্তানি সম্প্রদায়ের সদস্যরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানদের বিশেষ বাণী পাঠ করা হয়, যেখানে দেশটির সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনী ও জনগণের সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়।
পাকিস্তানের নেতৃত্বের পাঠানো বাণীতে উল্লেখ করা হয়, দেশটির সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত। একই সঙ্গে কাশ্মীরি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের প্রতি নীতিগত সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে বলা হয়, জম্মু ও কাশ্মীর সমস্যার ন্যায়সঙ্গত সমাধান ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ায় স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। বক্তারা পাকিস্তানকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার অন্যতম অংশীদার হিসেবে অভিহিত করেন।
বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার তার বক্তব্যে বলেন, যেকোনো বহিঃশত্রুর আগ্রাসনের মুখে পাকিস্তানের জনগণ ও বাহিনী ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ রক্ষায় দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে। অনুষ্ঠানে সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে পাকিস্তানের অটল অবস্থানের কথা তুলে ধরার পাশাপাশি দেশটির শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।
বার্ষিকী উপলক্ষে হাইকমিশন প্রাঙ্গণে ‘মারকা-ই-হক’-এর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত নিয়ে একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনী এবং পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানটি শেষ হয় বিশেষ মোনাজাত ও দোয়ার মধ্য দিয়ে।

আপনার মতামত লিখুন