পুলিশ বাহিনীতে কোনো ধরনের দুর্নীতি ও শৃঙ্খলাভঙ্গ সহ্য করা হবে না বলে কড়া বার্তা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সোমবার (১১ মে) পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। মন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, যারা বাহিনীর ‘চেইন অব কমান্ড’ অমান্য করবেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর জোর দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, অপারেশনাল কার্যক্রম ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বাড়াতে ‘বডিওর্ন ক্যামেরা’র ব্যবহার ব্যাপক হারে বাড়ানো হবে। ভবিষ্যতে তদন্ত ও অপারেশনসহ সব কার্যক্রম রেকর্ডে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
মানবাধিকার রক্ষার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে মন্ত্রী পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, অপরাধ দমন বা তদন্তের ক্ষেত্রে মানবাধিকার সমুন্নত রেখে কৌশলী পদক্ষেপ নিতে হবে। জাতিসংঘের মানদণ্ড অনুযায়ী ন্যূনতম বলপ্রয়োগের বিষয়ে সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান।
দেশের পর্যটন খাতের উন্নয়ন ও ভাবমূর্তি রক্ষায় ট্যুরিস্ট পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি স্বীকার করেন, এই খাতে এখনো প্রত্যাশিত সুনাম অর্জিত হয়নি। তাই পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে বিদেশের কাছে দেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরতে ট্যুরিস্ট পুলিশকে আরও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বক্তব্যের শেষ দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়ে পুলিশিং কেবল অপরাধ দমনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং জনগণের সঙ্গে আস্থা ও বিশ্বাসের সম্পর্ক গড়ে তোলাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি প্রতিটি সদস্যকে ব্যক্তিগত সততা ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা বজায় রাখার নির্দেশ দেন।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
পুলিশ বাহিনীতে কোনো ধরনের দুর্নীতি ও শৃঙ্খলাভঙ্গ সহ্য করা হবে না বলে কড়া বার্তা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সোমবার (১১ মে) পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। মন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, যারা বাহিনীর ‘চেইন অব কমান্ড’ অমান্য করবেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর জোর দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, অপারেশনাল কার্যক্রম ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বাড়াতে ‘বডিওর্ন ক্যামেরা’র ব্যবহার ব্যাপক হারে বাড়ানো হবে। ভবিষ্যতে তদন্ত ও অপারেশনসহ সব কার্যক্রম রেকর্ডে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
মানবাধিকার রক্ষার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে মন্ত্রী পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, অপরাধ দমন বা তদন্তের ক্ষেত্রে মানবাধিকার সমুন্নত রেখে কৌশলী পদক্ষেপ নিতে হবে। জাতিসংঘের মানদণ্ড অনুযায়ী ন্যূনতম বলপ্রয়োগের বিষয়ে সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান।
দেশের পর্যটন খাতের উন্নয়ন ও ভাবমূর্তি রক্ষায় ট্যুরিস্ট পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি স্বীকার করেন, এই খাতে এখনো প্রত্যাশিত সুনাম অর্জিত হয়নি। তাই পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে বিদেশের কাছে দেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরতে ট্যুরিস্ট পুলিশকে আরও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বক্তব্যের শেষ দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়ে পুলিশিং কেবল অপরাধ দমনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং জনগণের সঙ্গে আস্থা ও বিশ্বাসের সম্পর্ক গড়ে তোলাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি প্রতিটি সদস্যকে ব্যক্তিগত সততা ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা বজায় রাখার নির্দেশ দেন।

আপনার মতামত লিখুন