আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর হাটে জাল নোটের বিস্তার রোধে বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পশুর হাটে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের লেনদেন নিরাপদ করতে প্রতিটি অনুমোদিত হাটে জাল নোট শনাক্তকরণ বুথ স্থাপনের জন্য দেশের সব বাণিজ্যিক ব্যাংককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রোববার (১০ মে) কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, সারাদেশে অনুমোদিত কোরবানির পশুর হাটগুলোতে ব্যাংকগুলোকে নিজস্ব বুথ স্থাপন করতে হবে। প্রতিটি বুথে একজন অভিজ্ঞ ক্যাশ অফিসার নিয়োগের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় জাল নোট শনাক্তকরণ মেশিন নিশ্চিত করতে হবে। হাট শুরুর দিন থেকে ঈদের আগের রাত পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে পশু ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের বিনামূল্যে এই সেবা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও জানিয়েছে, এই কার্যক্রম কেবল বড় শহরগুলোতে সীমাবদ্ধ থাকবে না; উপজেলা পর্যায়ের পশুর হাটগুলোতেও এই সেবা নিশ্চিত করতে হবে। যেসব কর্মকর্তাদের হাটে দায়িত্ব দেওয়া হবে, তাদের তালিকা দ্রুত বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠাতে বলা হয়েছে। বুথে কোনো জাল নোট শনাক্ত হলে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার কঠোর নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই উদ্যোগের ফলে পশুর হাটে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থের লেনদেনে প্রতারণার ঝুঁকি কমবে এবং ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসবে। নিরাপদ ও সুষ্ঠু লেনদেন নিশ্চিত করতে ব্যাংকগুলোর এই তৎপরতা কোরবানির অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর হাটে জাল নোটের বিস্তার রোধে বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পশুর হাটে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের লেনদেন নিরাপদ করতে প্রতিটি অনুমোদিত হাটে জাল নোট শনাক্তকরণ বুথ স্থাপনের জন্য দেশের সব বাণিজ্যিক ব্যাংককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রোববার (১০ মে) কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, সারাদেশে অনুমোদিত কোরবানির পশুর হাটগুলোতে ব্যাংকগুলোকে নিজস্ব বুথ স্থাপন করতে হবে। প্রতিটি বুথে একজন অভিজ্ঞ ক্যাশ অফিসার নিয়োগের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় জাল নোট শনাক্তকরণ মেশিন নিশ্চিত করতে হবে। হাট শুরুর দিন থেকে ঈদের আগের রাত পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে পশু ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের বিনামূল্যে এই সেবা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও জানিয়েছে, এই কার্যক্রম কেবল বড় শহরগুলোতে সীমাবদ্ধ থাকবে না; উপজেলা পর্যায়ের পশুর হাটগুলোতেও এই সেবা নিশ্চিত করতে হবে। যেসব কর্মকর্তাদের হাটে দায়িত্ব দেওয়া হবে, তাদের তালিকা দ্রুত বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠাতে বলা হয়েছে। বুথে কোনো জাল নোট শনাক্ত হলে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার কঠোর নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই উদ্যোগের ফলে পশুর হাটে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থের লেনদেনে প্রতারণার ঝুঁকি কমবে এবং ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসবে। নিরাপদ ও সুষ্ঠু লেনদেন নিশ্চিত করতে ব্যাংকগুলোর এই তৎপরতা কোরবানির অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন