চলমান ইরান যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারি ও বেসরকারি খাতের কর্মীদের ঘরে বসে কাজ বা ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তেলেঙ্গানায় প্রায় ৯ হাজার ৪০০ কোটি রুপির একটি প্রকল্প উদ্বোধনকালে তিনি এই পরামর্শ দেন। মোদির এই আহ্বান ভারতের কর্পোরেট মহলে ব্যাপক আলোচনার পাশাপাশি নতুন বিতর্কেরও জন্ম দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী মোদি তার বক্তব্যে যাতায়াত কমিয়ে পেট্রল ও ডিজেলের ওপর আমদানিনির্ভরতা কমানোর ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, “আমাদের পুনরায় ওয়ার্ক ফ্রম হোম, অনলাইন কনফারেন্স এবং ভার্চুয়াল মিটিংকে প্রাধান্য দিতে হবে।” ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহারের পরিবর্তে মেট্রোরেল, গণপরিবহন এবং ‘কার পুলিং’ ব্যবহারের মাধ্যমে জ্বালানি সাশ্রয়ে দেশবাসীকে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান তিনি।
মোদির এই আহ্বানের প্রতিক্রিয়ায় ভারতের এইচআর বিশেষজ্ঞরা মিশ্র মত প্রকাশ করেছেন। অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, ঘরে বসে কাজ করলে সময় ব্যবস্থাপনা উন্নত হয় এবং কর্মীদের মানসিক চাপ কমে। তবে ক্ষুদ্র ব্যবসা ও উৎপাদন খাতের ক্ষেত্রে এটি প্রয়োগ করা কতটা বাস্তবসম্মত, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন কেউ কেউ। বিশেষ করে যেসব প্রতিষ্ঠানের পর্যাপ্ত প্রযুক্তিগত অবকাঠামো নেই, তাদের জন্য এই পদ্ধতিতে ফিরে যাওয়া চ্যালেঞ্জিং হতে পারে।
কোভিড-কালীন পরিস্থিতির পর ভারত কি আবারও পুরোদমে রিমোট ওয়ার্কিং বা ভার্চুয়াল কর্মপদ্ধতিতে ফিরে যাবে কি না, তা এখন বড় প্রশ্ন। তবে বৈশ্বিক সংকটকালীন সময়ে নরেন্দ্র মোদির এই ‘সাশ্রয়ী সংকল্প’ ভারতের অর্থনীতি ও কর্মসংস্কৃতিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
চলমান ইরান যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারি ও বেসরকারি খাতের কর্মীদের ঘরে বসে কাজ বা ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তেলেঙ্গানায় প্রায় ৯ হাজার ৪০০ কোটি রুপির একটি প্রকল্প উদ্বোধনকালে তিনি এই পরামর্শ দেন। মোদির এই আহ্বান ভারতের কর্পোরেট মহলে ব্যাপক আলোচনার পাশাপাশি নতুন বিতর্কেরও জন্ম দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী মোদি তার বক্তব্যে যাতায়াত কমিয়ে পেট্রল ও ডিজেলের ওপর আমদানিনির্ভরতা কমানোর ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, “আমাদের পুনরায় ওয়ার্ক ফ্রম হোম, অনলাইন কনফারেন্স এবং ভার্চুয়াল মিটিংকে প্রাধান্য দিতে হবে।” ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহারের পরিবর্তে মেট্রোরেল, গণপরিবহন এবং ‘কার পুলিং’ ব্যবহারের মাধ্যমে জ্বালানি সাশ্রয়ে দেশবাসীকে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান তিনি।
মোদির এই আহ্বানের প্রতিক্রিয়ায় ভারতের এইচআর বিশেষজ্ঞরা মিশ্র মত প্রকাশ করেছেন। অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, ঘরে বসে কাজ করলে সময় ব্যবস্থাপনা উন্নত হয় এবং কর্মীদের মানসিক চাপ কমে। তবে ক্ষুদ্র ব্যবসা ও উৎপাদন খাতের ক্ষেত্রে এটি প্রয়োগ করা কতটা বাস্তবসম্মত, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন কেউ কেউ। বিশেষ করে যেসব প্রতিষ্ঠানের পর্যাপ্ত প্রযুক্তিগত অবকাঠামো নেই, তাদের জন্য এই পদ্ধতিতে ফিরে যাওয়া চ্যালেঞ্জিং হতে পারে।
কোভিড-কালীন পরিস্থিতির পর ভারত কি আবারও পুরোদমে রিমোট ওয়ার্কিং বা ভার্চুয়াল কর্মপদ্ধতিতে ফিরে যাবে কি না, তা এখন বড় প্রশ্ন। তবে বৈশ্বিক সংকটকালীন সময়ে নরেন্দ্র মোদির এই ‘সাশ্রয়ী সংকল্প’ ভারতের অর্থনীতি ও কর্মসংস্কৃতিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন