জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনায় দায়ের করা একাধিক মামলায় সাংবাদিক দম্পতি শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রুপাকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার (১১ মে) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে জামিনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক।
আদালতের আদেশ অনুযায়ী, ফারজানা রুপাকে ৬টি মামলায় এবং শাকিল আহমেদকে ৫টি মামলায় জামিন দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের দুইজনের বিরুদ্ধেই আরও একটি করে মামলা থাকায় সেই মামলাগুলোতে জামিন না দিয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। এর ফলে সব মামলায় জামিন না হওয়ায় এই সাংবাদিক দম্পতি এখনই কারাগার থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২১ আগস্ট বিদেশ যাওয়ার সময় রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রুপাকে আটক করা হয়েছিল। পরবর্তীতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বর্তমানে তারা দীর্ঘ সময় ধরে কারান্তরীণ রয়েছেন। মামলার আইনি প্রক্রিয়া চলমান থাকায় তাদের মুক্তির বিষয়টি এখন রুল নিষ্পত্তির ওপর নির্ভর করছে।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনায় দায়ের করা একাধিক মামলায় সাংবাদিক দম্পতি শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রুপাকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার (১১ মে) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে জামিনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক।
আদালতের আদেশ অনুযায়ী, ফারজানা রুপাকে ৬টি মামলায় এবং শাকিল আহমেদকে ৫টি মামলায় জামিন দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের দুইজনের বিরুদ্ধেই আরও একটি করে মামলা থাকায় সেই মামলাগুলোতে জামিন না দিয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। এর ফলে সব মামলায় জামিন না হওয়ায় এই সাংবাদিক দম্পতি এখনই কারাগার থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২১ আগস্ট বিদেশ যাওয়ার সময় রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রুপাকে আটক করা হয়েছিল। পরবর্তীতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বর্তমানে তারা দীর্ঘ সময় ধরে কারান্তরীণ রয়েছেন। মামলার আইনি প্রক্রিয়া চলমান থাকায় তাদের মুক্তির বিষয়টি এখন রুল নিষ্পত্তির ওপর নির্ভর করছে।

আপনার মতামত লিখুন