ঢাকা নিউজ

না ফেরার দেশে মঞ্চসারথি আতাউর রহমান: সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া



না ফেরার দেশে মঞ্চসারথি আতাউর রহমান: সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া
ছবি : সংগৃহীত

দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের উজ্জ্বল নক্ষত্র, বরেণ্য নাট্যব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান আর নেই। সোমবার (১১ মে) দিবাগত রাতে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। প্রায় দশ দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর অবশেষে না ফেরার দেশে চলে গেলেন এই গুণী শিল্পী। অভিনেতা রওনক হাসান গণমাধ্যমকে তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ মে নিজ বাসায় পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন আতাউর রহমান। এরপর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে দ্রুত ধানমন্ডির একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং আইসিইউ সাপোর্টে রাখা হয়। মাঝে কিছুটা উন্নতির লক্ষণ দেখা দিলেও রবিবার পুনরায় তাঁর অবস্থার অবনতি ঘটে এবং তাকে আবার লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

১৯৪১ সালের ১৮ জুন নোয়াখালীতে জন্ম নেওয়া আতাউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের মঞ্চনাটক আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে দেশের নাট্যচর্চাকে বেগবান করতে তিনি অসামান্য অবদান রেখেছেন। একাধারে অভিনেতা, নির্দেশক, নাট্যকার ও লেখক হিসেবে তাঁর বহুমাত্রিক প্রতিভা কয়েক প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছে। শিল্পকলায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘একুশে পদক’ ও ‘স্বাধীনতা পদক’-এ ভূষিত হয়েছিলেন।

মঞ্চসারথি আতাউর রহমানের প্রয়াণে দেশের শিল্প ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হলো। তাঁর মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সব মহলে গভীর শোক ও শ্রদ্ধার ঢল নেমেছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬


না ফেরার দেশে মঞ্চসারথি আতাউর রহমান: সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া

প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬

featured Image

দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের উজ্জ্বল নক্ষত্র, বরেণ্য নাট্যব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান আর নেই। সোমবার (১১ মে) দিবাগত রাতে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। প্রায় দশ দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর অবশেষে না ফেরার দেশে চলে গেলেন এই গুণী শিল্পী। অভিনেতা রওনক হাসান গণমাধ্যমকে তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ মে নিজ বাসায় পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন আতাউর রহমান। এরপর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে দ্রুত ধানমন্ডির একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং আইসিইউ সাপোর্টে রাখা হয়। মাঝে কিছুটা উন্নতির লক্ষণ দেখা দিলেও রবিবার পুনরায় তাঁর অবস্থার অবনতি ঘটে এবং তাকে আবার লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

১৯৪১ সালের ১৮ জুন নোয়াখালীতে জন্ম নেওয়া আতাউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের মঞ্চনাটক আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে দেশের নাট্যচর্চাকে বেগবান করতে তিনি অসামান্য অবদান রেখেছেন। একাধারে অভিনেতা, নির্দেশক, নাট্যকার ও লেখক হিসেবে তাঁর বহুমাত্রিক প্রতিভা কয়েক প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছে। শিল্পকলায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘একুশে পদক’ ও ‘স্বাধীনতা পদক’-এ ভূষিত হয়েছিলেন।

মঞ্চসারথি আতাউর রহমানের প্রয়াণে দেশের শিল্প ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হলো। তাঁর মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সব মহলে গভীর শোক ও শ্রদ্ধার ঢল নেমেছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ