কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার হাসনাবাদ ইউনিয়নের মানরা গ্রামে এক প্রবাসীর স্ত্রী তাঁর কন্যাসন্তান, নগদ সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা এবং প্রায় আড়াই ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী সৌদি প্রবাসী মাহবুবুর রহমানের দাবি, তাঁর স্ত্রী ফারজানা আক্তার (২২) একই গ্রামের সাফিন (২৫) নামের এক যুবকের হাত ধরে গত ৭ মে ঘর ছাড়েন। এই ঘটনায় প্রবাসীর বাবা আবুল বাসার বাদী হয়ে মনোহরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, ছয় বছর আগে পারিবারিকভাবে ফারজানার সঙ্গে মাহবুবুর রহমানের বিয়ে হয় এবং তাঁদের ঘরে একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। মাহবুবুর রহমান প্রবাসে থাকার সুবাদে প্রতিবেশী বেলায়েত হোসেনের ছেলে সাফিনের সঙ্গে ফারজানার পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি নিয়ে ইতিপূর্বে ফারজানার পরিবারকে জানানো হলেও তাঁরা কোনো ব্যবস্থা নেননি। পালিয়ে যাওয়ার সময় ফারজানা স্বামীর পাঠানো নগদ টাকা ছাড়াও এনজিও থেকে ঋণের জন্য তোলা পাঁচ লাখ টাকা সাথে নিয়ে গেছেন।
ঘটনার পাঁচ দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত অপহৃত শিশু বা অভিযুক্তদের উদ্ধার করতে পারেনি। স্ত্রী, সন্তান ও সারা জীবনের সঞ্চয় হারিয়ে বর্তমানে প্রবাসে বাকরুদ্ধ অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন মাহবুবুর রহমান। তিনি দ্রুত তাঁর সন্তানকে উদ্ধার এবং অভিযুক্ত সাফিনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। মনোহরগঞ্জ থানার ওসি মাকসুদ আহমেদ জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার হাসনাবাদ ইউনিয়নের মানরা গ্রামে এক প্রবাসীর স্ত্রী তাঁর কন্যাসন্তান, নগদ সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা এবং প্রায় আড়াই ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী সৌদি প্রবাসী মাহবুবুর রহমানের দাবি, তাঁর স্ত্রী ফারজানা আক্তার (২২) একই গ্রামের সাফিন (২৫) নামের এক যুবকের হাত ধরে গত ৭ মে ঘর ছাড়েন। এই ঘটনায় প্রবাসীর বাবা আবুল বাসার বাদী হয়ে মনোহরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, ছয় বছর আগে পারিবারিকভাবে ফারজানার সঙ্গে মাহবুবুর রহমানের বিয়ে হয় এবং তাঁদের ঘরে একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। মাহবুবুর রহমান প্রবাসে থাকার সুবাদে প্রতিবেশী বেলায়েত হোসেনের ছেলে সাফিনের সঙ্গে ফারজানার পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি নিয়ে ইতিপূর্বে ফারজানার পরিবারকে জানানো হলেও তাঁরা কোনো ব্যবস্থা নেননি। পালিয়ে যাওয়ার সময় ফারজানা স্বামীর পাঠানো নগদ টাকা ছাড়াও এনজিও থেকে ঋণের জন্য তোলা পাঁচ লাখ টাকা সাথে নিয়ে গেছেন।
ঘটনার পাঁচ দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত অপহৃত শিশু বা অভিযুক্তদের উদ্ধার করতে পারেনি। স্ত্রী, সন্তান ও সারা জীবনের সঞ্চয় হারিয়ে বর্তমানে প্রবাসে বাকরুদ্ধ অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন মাহবুবুর রহমান। তিনি দ্রুত তাঁর সন্তানকে উদ্ধার এবং অভিযুক্ত সাফিনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। মনোহরগঞ্জ থানার ওসি মাকসুদ আহমেদ জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন