তেহরানের বিরুদ্ধে জয় পেতে যুক্তরাষ্ট্রের কারো সাহায্যের প্রয়োজন নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার চীন সফরের প্রাক্কালে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে হোক বা অন্য কোনো উপায়ে— ইরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের জয় নিশ্চিত। চীন সফরে গিয়ে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের কাছে ইরান ইস্যুতে কোনো সহায়তা চাইবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে উপহাস করে ট্রাম্প দাবি করেন, দেশটির নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং যুদ্ধ যন্ত্রের প্রতিটি উপাদান এখন অকেজো হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি ইরানের বন্দরগুলোতে দেওয়া মার্কিন অবরোধ ১০০ শতাংশ কার্যকর হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তেহরানের বর্তমান পরিস্থিতিকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থানের সাফল্য হিসেবে দেখেন।
ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধবিরতি কতদিন স্থায়ী হবে বা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ‘রেড লাইন’ আছে কি না, এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর এড়িয়ে যান ট্রাম্প। তিনি কেবল জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি চীন যাওয়ার পথে ফ্লাইটে চিন্তা করবেন এবং আগামী কিছু সময় পরিস্থিতির ওপর পর্যবেক্ষণ রাখবেন। ট্রাম্পের এই অনমনীয় মনোভাব মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
তেহরানের বিরুদ্ধে জয় পেতে যুক্তরাষ্ট্রের কারো সাহায্যের প্রয়োজন নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার চীন সফরের প্রাক্কালে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে হোক বা অন্য কোনো উপায়ে— ইরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের জয় নিশ্চিত। চীন সফরে গিয়ে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের কাছে ইরান ইস্যুতে কোনো সহায়তা চাইবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে উপহাস করে ট্রাম্প দাবি করেন, দেশটির নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং যুদ্ধ যন্ত্রের প্রতিটি উপাদান এখন অকেজো হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি ইরানের বন্দরগুলোতে দেওয়া মার্কিন অবরোধ ১০০ শতাংশ কার্যকর হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তেহরানের বর্তমান পরিস্থিতিকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থানের সাফল্য হিসেবে দেখেন।
ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধবিরতি কতদিন স্থায়ী হবে বা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ‘রেড লাইন’ আছে কি না, এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর এড়িয়ে যান ট্রাম্প। তিনি কেবল জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি চীন যাওয়ার পথে ফ্লাইটে চিন্তা করবেন এবং আগামী কিছু সময় পরিস্থিতির ওপর পর্যবেক্ষণ রাখবেন। ট্রাম্পের এই অনমনীয় মনোভাব মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন