মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার মধ্যে সৌদি আরব সরাসরি ইরানের মাটিতে একাধিক গোপন সামরিক হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছেন পশ্চিমা ও ইরানি কর্মকর্তারা। আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী ইরানের ক্রমাগত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে নিজেদের রক্ষায় রিয়াদ আগের চেয়ে অনেক বেশি সাহসী ও কঠোর অবস্থান নিয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
পশ্চিমা কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, গত মার্চের শেষ দিকে সৌদি বিমানবাহিনী এই অভিযানগুলো পরিচালনা করে। মূলত সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে চালানো হামলার পাল্টা জবাব হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। যদিও হামলার নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি এবং সৌদি বা ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি। তবে এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলেছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এতে স্পষ্ট হচ্ছে যে, উপসাগরীয় দেশগুলো এখন কেবল মার্কিন নিরাপত্তা বলয়ের ওপর নির্ভর না করে নিজেরাই পাল্টা জবাব দেওয়া শুরু করেছে। তবে সৌদি আরব কৌশলগতভাবে কিছুটা সংযম প্রদর্শনের চেষ্টা করছে এবং রিয়াদে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে যোগাযোগ বজায় রেখে উত্তেজনা কমানোর পথও খোলা রেখেছে।
দীর্ঘদিনের বৈরিতা কাটিয়ে ২০২৩ সালে চীনের মধ্যস্থতায় দুই দেশের সম্পর্ক পুনঃস্থাপিত হলেও সাম্প্রতিক এই যুদ্ধ পরিস্থিতি সেই স্থিতিশীলতাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আগেই জানিয়েছিলেন যে, প্রয়োজন হলে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার তাঁর দেশ সংরক্ষণ করে। বর্তমান পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক আলোচনার পাশাপাশি সামরিক শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে রিয়াদ আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার মধ্যে সৌদি আরব সরাসরি ইরানের মাটিতে একাধিক গোপন সামরিক হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছেন পশ্চিমা ও ইরানি কর্মকর্তারা। আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী ইরানের ক্রমাগত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে নিজেদের রক্ষায় রিয়াদ আগের চেয়ে অনেক বেশি সাহসী ও কঠোর অবস্থান নিয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
পশ্চিমা কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, গত মার্চের শেষ দিকে সৌদি বিমানবাহিনী এই অভিযানগুলো পরিচালনা করে। মূলত সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে চালানো হামলার পাল্টা জবাব হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। যদিও হামলার নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি এবং সৌদি বা ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি। তবে এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলেছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এতে স্পষ্ট হচ্ছে যে, উপসাগরীয় দেশগুলো এখন কেবল মার্কিন নিরাপত্তা বলয়ের ওপর নির্ভর না করে নিজেরাই পাল্টা জবাব দেওয়া শুরু করেছে। তবে সৌদি আরব কৌশলগতভাবে কিছুটা সংযম প্রদর্শনের চেষ্টা করছে এবং রিয়াদে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে যোগাযোগ বজায় রেখে উত্তেজনা কমানোর পথও খোলা রেখেছে।
দীর্ঘদিনের বৈরিতা কাটিয়ে ২০২৩ সালে চীনের মধ্যস্থতায় দুই দেশের সম্পর্ক পুনঃস্থাপিত হলেও সাম্প্রতিক এই যুদ্ধ পরিস্থিতি সেই স্থিতিশীলতাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আগেই জানিয়েছিলেন যে, প্রয়োজন হলে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার তাঁর দেশ সংরক্ষণ করে। বর্তমান পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক আলোচনার পাশাপাশি সামরিক শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে রিয়াদ আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন