ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে যখন তীব্র চাপের মুখে, তখন এক নতুন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, এই যুদ্ধ খুব দ্রুতই শেষ হতে যাচ্ছে এবং যুদ্ধ থামার পরপরই বিশ্ব অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। খবর আল-জাজিরার।
মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন:
"খুব শীঘ্রই এই যুদ্ধ শেষ হতে যাচ্ছে। আর এটি হওয়া মাত্রই আপনারা দেখবেন তেলের দাম হু হু করে কমছে এবং শেয়ার বাজার চাঙ্গা হয়ে উঠছে।"
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মতে, বর্তমানে জ্বালানি সংকটের মূল কারণ তেলের অভাব নয়, বরং যুদ্ধের কারণে সরবরাহ ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হওয়া। তাঁর বক্তব্যের প্রধান পয়েন্টগুলো হলো:
আটকে থাকা জাহাজ: শত শত তেলবাহী জাহাজ বর্তমানে বোঝাই অবস্থায় বন্দরগুলোতে বের হওয়ার অপেক্ষায় আছে।
সরবরাহ বৃদ্ধি: যুদ্ধ শেষ হওয়ার সাথে সাথে এই জাহাজগুলো খালাস শুরু হলে বাজারে তেলের বিশাল জোগান তৈরি হবে।
মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ: তেলের দাম কমলে সরাসরি জীবনযাত্রার ব্যয় ও মুদ্রাস্ফীতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসবে।
উল্লেখ্য, ইরানে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, যার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরেও রাজনৈতিক চাপের মুখে রয়েছেন ট্রাম্প। সমালোচকরা এই যুদ্ধকে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতার প্রধান কারণ হিসেবে দেখলেও, ট্রাম্পের দাবি—যুদ্ধ পরবর্তী পরিস্থিতিতে এই সংকট দ্রুতই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে যখন তীব্র চাপের মুখে, তখন এক নতুন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, এই যুদ্ধ খুব দ্রুতই শেষ হতে যাচ্ছে এবং যুদ্ধ থামার পরপরই বিশ্ব অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। খবর আল-জাজিরার।
মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন:
"খুব শীঘ্রই এই যুদ্ধ শেষ হতে যাচ্ছে। আর এটি হওয়া মাত্রই আপনারা দেখবেন তেলের দাম হু হু করে কমছে এবং শেয়ার বাজার চাঙ্গা হয়ে উঠছে।"
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মতে, বর্তমানে জ্বালানি সংকটের মূল কারণ তেলের অভাব নয়, বরং যুদ্ধের কারণে সরবরাহ ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হওয়া। তাঁর বক্তব্যের প্রধান পয়েন্টগুলো হলো:
আটকে থাকা জাহাজ: শত শত তেলবাহী জাহাজ বর্তমানে বোঝাই অবস্থায় বন্দরগুলোতে বের হওয়ার অপেক্ষায় আছে।
সরবরাহ বৃদ্ধি: যুদ্ধ শেষ হওয়ার সাথে সাথে এই জাহাজগুলো খালাস শুরু হলে বাজারে তেলের বিশাল জোগান তৈরি হবে।
মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ: তেলের দাম কমলে সরাসরি জীবনযাত্রার ব্যয় ও মুদ্রাস্ফীতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসবে।
উল্লেখ্য, ইরানে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, যার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরেও রাজনৈতিক চাপের মুখে রয়েছেন ট্রাম্প। সমালোচকরা এই যুদ্ধকে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতার প্রধান কারণ হিসেবে দেখলেও, ট্রাম্পের দাবি—যুদ্ধ পরবর্তী পরিস্থিতিতে এই সংকট দ্রুতই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন