লন্ডনে অনুষ্ঠিত ‘এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ফোরাম-২০২৬’-এ অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন মন্তব্য করেছেন যে, শিক্ষা শুধু একটি সনদপত্র নয়, এটি একটি যাত্রা যা মানুষের মূল্যবোধ ও চরিত্র গঠন করে। তিনি বলেন, শিক্ষা মানুষকে দায়িত্বশীল বৈশ্বিক নাগরিকত্বে অনুপ্রাণিত করে এবং এর প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো শিক্ষাজীবন, কর্মজীবন ও বাস্তব জীবনে সফল হওয়ার জন্য ব্যক্তিকে জ্ঞান, দক্ষতা ও প্রজ্ঞা দিয়ে ক্ষমতায়ন করা।
সোমবার (১৮ মে) অনুষ্ঠিত এই বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনসহ বিশ্বের ১৫০টিরও বেশি দেশের শিক্ষামন্ত্রী ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ফোরাম ২০২৬ উপলক্ষে ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশ তাদের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে মাহদী আমিনের বক্তব্য ও ছবি সম্বলিত একটি ফটোকার্ড পোস্ট করেছে। পোস্টে তাঁর এই দৃষ্টিভঙ্গিকে অনুপ্রেরণাদায়ক আখ্যা দিয়ে বলা হয়, তারা টেকসই শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য উদ্ভাবনী অর্থায়ন বিষয়ক সংলাপ এবং এর মাধ্যমে অনুপ্রাণিত বৈশ্বিক সহযোগিতার প্রত্যাশা করছে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে মাহদী আমিন লন্ডন সফর নিয়ে তাঁর কিছু ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক স্মৃতি ও বিনম্র অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। পোস্টে তাঁর লেখার মূল অংশগুলো নিচে দেওয়া হলো:
লন্ডনের সঙ্গে আত্মিক সম্পর্ক: লন্ডন এমন একটি শহর যা তাঁর জীবনের বহু গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে রূপ দিয়েছে এবং বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য এক গভীর আশা ধারণ করে দীর্ঘ সময় তিনি এখানে ইতিহাসের অংশ হওয়ার চেষ্টা করেছেন।
তারেক রহমানের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ: এই শহরেই ১৫ বছর আগে বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তাঁর প্রথম দেখা হয়েছিল এবং একসঙ্গে কাজ শুরু করেছিলেন, যা সময়ের সঙ্গে আরও দৃঢ় হয়েছে।
নতুন ভূমিকায় ফেরা: বিগত দুই দশক ধরে প্রতি বছর লন্ডনে আসলেও, এবারই প্রথমবারের মতো তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে ফিরেছেন, যা তাঁর কাছে এক বিশাল ও বিনম্র দায়িত্বের অনুভূতি এনে দিয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিপুল গণতান্ত্রিক জনরায়ের ওপর ভিত্তি করে প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে সর্বোচ্চ সততা ও মর্যাদা নিয়ে তিনি দেশের সেবা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তরুণ, নারী ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সম্ভাবনাকে উন্মোচন করে একটি সমৃদ্ধ ও নীতিবান কর্মশক্তি গড়ে তোলার মাধ্যমে একসঙ্গে নতুন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান তিনি। সবশেষে, সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে এবার লন্ডনের সব বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে দেখা করতে না পারায় তিনি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

বুধবার, ২০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
লন্ডনে অনুষ্ঠিত ‘এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ফোরাম-২০২৬’-এ অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন মন্তব্য করেছেন যে, শিক্ষা শুধু একটি সনদপত্র নয়, এটি একটি যাত্রা যা মানুষের মূল্যবোধ ও চরিত্র গঠন করে। তিনি বলেন, শিক্ষা মানুষকে দায়িত্বশীল বৈশ্বিক নাগরিকত্বে অনুপ্রাণিত করে এবং এর প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো শিক্ষাজীবন, কর্মজীবন ও বাস্তব জীবনে সফল হওয়ার জন্য ব্যক্তিকে জ্ঞান, দক্ষতা ও প্রজ্ঞা দিয়ে ক্ষমতায়ন করা।
সোমবার (১৮ মে) অনুষ্ঠিত এই বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনসহ বিশ্বের ১৫০টিরও বেশি দেশের শিক্ষামন্ত্রী ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ফোরাম ২০২৬ উপলক্ষে ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশ তাদের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে মাহদী আমিনের বক্তব্য ও ছবি সম্বলিত একটি ফটোকার্ড পোস্ট করেছে। পোস্টে তাঁর এই দৃষ্টিভঙ্গিকে অনুপ্রেরণাদায়ক আখ্যা দিয়ে বলা হয়, তারা টেকসই শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য উদ্ভাবনী অর্থায়ন বিষয়ক সংলাপ এবং এর মাধ্যমে অনুপ্রাণিত বৈশ্বিক সহযোগিতার প্রত্যাশা করছে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে মাহদী আমিন লন্ডন সফর নিয়ে তাঁর কিছু ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক স্মৃতি ও বিনম্র অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। পোস্টে তাঁর লেখার মূল অংশগুলো নিচে দেওয়া হলো:
লন্ডনের সঙ্গে আত্মিক সম্পর্ক: লন্ডন এমন একটি শহর যা তাঁর জীবনের বহু গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে রূপ দিয়েছে এবং বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য এক গভীর আশা ধারণ করে দীর্ঘ সময় তিনি এখানে ইতিহাসের অংশ হওয়ার চেষ্টা করেছেন।
তারেক রহমানের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ: এই শহরেই ১৫ বছর আগে বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তাঁর প্রথম দেখা হয়েছিল এবং একসঙ্গে কাজ শুরু করেছিলেন, যা সময়ের সঙ্গে আরও দৃঢ় হয়েছে।
নতুন ভূমিকায় ফেরা: বিগত দুই দশক ধরে প্রতি বছর লন্ডনে আসলেও, এবারই প্রথমবারের মতো তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে ফিরেছেন, যা তাঁর কাছে এক বিশাল ও বিনম্র দায়িত্বের অনুভূতি এনে দিয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিপুল গণতান্ত্রিক জনরায়ের ওপর ভিত্তি করে প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে সর্বোচ্চ সততা ও মর্যাদা নিয়ে তিনি দেশের সেবা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তরুণ, নারী ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সম্ভাবনাকে উন্মোচন করে একটি সমৃদ্ধ ও নীতিবান কর্মশক্তি গড়ে তোলার মাধ্যমে একসঙ্গে নতুন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান তিনি। সবশেষে, সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে এবার লন্ডনের সব বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে দেখা করতে না পারায় তিনি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন