কুমিল্লা-১০ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুজ্জামানকে ‘লাল কার্ড’ দেখিয়েছেন। লালমাই উপজেলা অডিটোরিয়ামে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই ঘোষণা দেন, যার ভিডিও রোববার বিকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
মতবিনিময়কালে এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া অভিযোগ করেন, ওসি নুরুজ্জামান লালমাই থানায় যোগদানের পর থেকে আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নে এবং ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেননি। এমনকি ওই এলাকায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
সংসদ সদস্য ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ওসি নুরুজ্জামান তাকে আইন শেখানোর চেষ্টা করেন, অথচ একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি এলাকার মানুষের সমস্যা ও বাস্তবতা সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত। ওসির কর্মকাণ্ড নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে এবং তার আচরণ একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তার কাছ থেকে মোটেও কাম্য নয়।
এমপি আরও জানান, তিনি এলাকায় গেলে অনেক সময় ওসিকে পাওয়া যায় না এবং বিভিন্ন বিষয়ে যোগাযোগ করতে গেলেও কাঙ্ক্ষিত সহযোগিতা মেলে না। এই কর্মকর্তার অপসারণ চেয়ে ডিআইজি এবং পুলিশ সুপারের সঙ্গে কথা বললেও এখন পর্যন্ত তাকে সরানোর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি। প্রয়োজন হলে এই বিষয়টি তিনি জাতীয় সংসদেও উত্থাপন করবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন।
মতবিনিময় সভায় এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া আরও অভিযোগ করেন যে, কিছু ব্যক্তি প্রশাসনের ছত্রছায়ায় থেকে রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসনের সুযোগ পাচ্ছেন, যা স্থানীয় জনগণের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করছে। এ সময় তিনি দ্রুত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
কুমিল্লা-১০ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুজ্জামানকে ‘লাল কার্ড’ দেখিয়েছেন। লালমাই উপজেলা অডিটোরিয়ামে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই ঘোষণা দেন, যার ভিডিও রোববার বিকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
মতবিনিময়কালে এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া অভিযোগ করেন, ওসি নুরুজ্জামান লালমাই থানায় যোগদানের পর থেকে আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নে এবং ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেননি। এমনকি ওই এলাকায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
সংসদ সদস্য ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ওসি নুরুজ্জামান তাকে আইন শেখানোর চেষ্টা করেন, অথচ একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি এলাকার মানুষের সমস্যা ও বাস্তবতা সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত। ওসির কর্মকাণ্ড নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে এবং তার আচরণ একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তার কাছ থেকে মোটেও কাম্য নয়।
এমপি আরও জানান, তিনি এলাকায় গেলে অনেক সময় ওসিকে পাওয়া যায় না এবং বিভিন্ন বিষয়ে যোগাযোগ করতে গেলেও কাঙ্ক্ষিত সহযোগিতা মেলে না। এই কর্মকর্তার অপসারণ চেয়ে ডিআইজি এবং পুলিশ সুপারের সঙ্গে কথা বললেও এখন পর্যন্ত তাকে সরানোর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি। প্রয়োজন হলে এই বিষয়টি তিনি জাতীয় সংসদেও উত্থাপন করবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন।
মতবিনিময় সভায় এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া আরও অভিযোগ করেন যে, কিছু ব্যক্তি প্রশাসনের ছত্রছায়ায় থেকে রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসনের সুযোগ পাচ্ছেন, যা স্থানীয় জনগণের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করছে। এ সময় তিনি দ্রুত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন