ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা শহরের নদীপাড়ায় প্রশাসন কিছুই করতে পারবে না এবং তিনি প্রতি মাসে থানায় ৬০ হাজার টাকা মাসোহারা দিয়ে ব্যবসা করেন বলে মন্তব্য করেছেন রুপালি খাতুন নামে এক নারী মাদক কারবারি। শনিবার রাত ১০টার দিকে স্থানীয়রা তার বাড়িতে মাদক কারবার বন্ধ করার দাবি জানাতে গেলে তিনি এই মন্তব্য করেন। তবে এই ঘটনার পরই পুলিশ স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে রুপালির বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে ও তার ছেলে আল-আমিনকে মাদকসহ গ্রেফতার করে রোববার সকালে কারাগারে পাঠিয়েছে।
গ্রেফতারকৃত রুপালি খাতুন শহরের নদীপাড়া এলাকার মিজান হোসেনের স্ত্রী এবং আল-আমিন ওই দম্পতির ছেলে। জানা গেছে, কালীগঞ্জ উপজেলাজুড়ে মাদকের বিস্তার রোধে স্থানীয়রা ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধের সিদ্ধান্ত নেন এবং এর অংশ হিসেবে শনিবার রাতে চিহ্নিত মাদক কারবারিদের বাড়িতে গিয়ে মাদক বিক্রি বন্ধ করতে বলেন।
স্থানীয় বাসিন্দা টিটোন হোসেন জানান, তারা ১৮-২০ জন মিলে মাদক বন্ধের অনুরোধ করতে গেলে রুপালি খাতুন তর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং থানা পুলিশকে মাসিক ৬০ হাজার টাকা চাঁদা দেওয়ার কথা বলে দম্ভোক্তি প্রকাশ করেন। এর কিছুক্ষণ পর সেখানে কালীগঞ্জ থানার ওসিসহ পুলিশের একটি টিম উপস্থিত হলে স্থানীয়রা ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকেন। পরবর্তীতে পুলিশ স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে রুপালির বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তার কাছ থেকে ২৫ পিস ও তার ছেলে আল-আমিনের কাছ থেকে ১৫ পিসসহ মোট ৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির ১১ হাজার ৭৫ টাকা উদ্ধার করে তাদের আটক করে।
থানায় মাসোহারা দেওয়ার এই অভিযোগের বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি দাবি করেন, কালীগঞ্জ থানার কাউকে মাদকের একটি টাকা দেওয়া হয়েছে এমন প্রমাণ কেউ দিতে পারবে না এবং যদি কেউ এর সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দিতে পারে তবে তাৎক্ষণিকভাবে অপরাধীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা শহরের নদীপাড়ায় প্রশাসন কিছুই করতে পারবে না এবং তিনি প্রতি মাসে থানায় ৬০ হাজার টাকা মাসোহারা দিয়ে ব্যবসা করেন বলে মন্তব্য করেছেন রুপালি খাতুন নামে এক নারী মাদক কারবারি। শনিবার রাত ১০টার দিকে স্থানীয়রা তার বাড়িতে মাদক কারবার বন্ধ করার দাবি জানাতে গেলে তিনি এই মন্তব্য করেন। তবে এই ঘটনার পরই পুলিশ স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে রুপালির বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে ও তার ছেলে আল-আমিনকে মাদকসহ গ্রেফতার করে রোববার সকালে কারাগারে পাঠিয়েছে।
গ্রেফতারকৃত রুপালি খাতুন শহরের নদীপাড়া এলাকার মিজান হোসেনের স্ত্রী এবং আল-আমিন ওই দম্পতির ছেলে। জানা গেছে, কালীগঞ্জ উপজেলাজুড়ে মাদকের বিস্তার রোধে স্থানীয়রা ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধের সিদ্ধান্ত নেন এবং এর অংশ হিসেবে শনিবার রাতে চিহ্নিত মাদক কারবারিদের বাড়িতে গিয়ে মাদক বিক্রি বন্ধ করতে বলেন।
স্থানীয় বাসিন্দা টিটোন হোসেন জানান, তারা ১৮-২০ জন মিলে মাদক বন্ধের অনুরোধ করতে গেলে রুপালি খাতুন তর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং থানা পুলিশকে মাসিক ৬০ হাজার টাকা চাঁদা দেওয়ার কথা বলে দম্ভোক্তি প্রকাশ করেন। এর কিছুক্ষণ পর সেখানে কালীগঞ্জ থানার ওসিসহ পুলিশের একটি টিম উপস্থিত হলে স্থানীয়রা ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকেন। পরবর্তীতে পুলিশ স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে রুপালির বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তার কাছ থেকে ২৫ পিস ও তার ছেলে আল-আমিনের কাছ থেকে ১৫ পিসসহ মোট ৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির ১১ হাজার ৭৫ টাকা উদ্ধার করে তাদের আটক করে।
থানায় মাসোহারা দেওয়ার এই অভিযোগের বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি দাবি করেন, কালীগঞ্জ থানার কাউকে মাদকের একটি টাকা দেওয়া হয়েছে এমন প্রমাণ কেউ দিতে পারবে না এবং যদি কেউ এর সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দিতে পারে তবে তাৎক্ষণিকভাবে অপরাধীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন