নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে এক বসত ঘরের টিন কেটে ভেতরে ঢুকে দুই সন্তানের জননী এক গৃহবধূকে (৩০) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত তারেক নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। আটক তারেক উপজেলার চরএলাহী ইউনিয়নের চরবালুয়া গ্রামের আলমগীর সওদাগরের পালক ছেলে। রোববার বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মো. নুরুল হাকীম।
ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের সদস্যরা জানান, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী দিনমজুর হিসেবে কুমিল্লায় কাজ করেন এবং ঘটনার রাতে তিনি সন্তানদের নিয়ে বাড়িতে একা ছিলেন। গত শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে প্রবল বৃষ্টির সময় তারেক দরজার পাশের টিন কেটে ঘরে প্রবেশ করে। প্রথমে ঘরে টাকা-পয়সা ও মালামাল খোঁজাখুঁজি করে কিছু না পেয়ে, যাওয়ার সময় সে ওই গৃহবধূকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে শনিবার সন্ধ্যায় একাধিক মামলার আসামি শাহীন ও তার সহযোগীরা তারেককে আটক করে মারধর করলে সে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে। পরে রাত ১০টার দিকে তাকে চরবালুয়া পুলিশ ক্যাম্পে সোপর্দ করা হয়।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, চরবালুয়া একটি দুর্গম ও বিচ্ছিন্ন এলাকা হওয়ায় এই ঘটনার সঙ্গে তারেকসহ আরও কয়েকজন যুবক জড়িত থাকতে পারে। কিন্তু মূল ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে শাহীন শুধু তারেককে আটক করে এবং অন্য কারও নাম প্রকাশ না করার জন্য ভুক্তভোগী পরিবার ও অভিযুক্ত যুবককে হুমকি দেয়। স্থানীয়রা এই ঘটনার একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তারা আরও অভিযোগ করেন, এই গ্রামে একটি অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী চক্র দীর্ঘদিন ধরে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত শাহীনের মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মো. নুরুল হাকীম জানান, ধর্ষণের এই অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ করার প্রক্রিয়া চলছে এবং এ ঘটনায় ইতিমধ্যে একজন আটক রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে অন্য কোনো অপরাধী জড়িত আছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে এক বসত ঘরের টিন কেটে ভেতরে ঢুকে দুই সন্তানের জননী এক গৃহবধূকে (৩০) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত তারেক নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। আটক তারেক উপজেলার চরএলাহী ইউনিয়নের চরবালুয়া গ্রামের আলমগীর সওদাগরের পালক ছেলে। রোববার বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মো. নুরুল হাকীম।
ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের সদস্যরা জানান, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী দিনমজুর হিসেবে কুমিল্লায় কাজ করেন এবং ঘটনার রাতে তিনি সন্তানদের নিয়ে বাড়িতে একা ছিলেন। গত শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে প্রবল বৃষ্টির সময় তারেক দরজার পাশের টিন কেটে ঘরে প্রবেশ করে। প্রথমে ঘরে টাকা-পয়সা ও মালামাল খোঁজাখুঁজি করে কিছু না পেয়ে, যাওয়ার সময় সে ওই গৃহবধূকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে শনিবার সন্ধ্যায় একাধিক মামলার আসামি শাহীন ও তার সহযোগীরা তারেককে আটক করে মারধর করলে সে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে। পরে রাত ১০টার দিকে তাকে চরবালুয়া পুলিশ ক্যাম্পে সোপর্দ করা হয়।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, চরবালুয়া একটি দুর্গম ও বিচ্ছিন্ন এলাকা হওয়ায় এই ঘটনার সঙ্গে তারেকসহ আরও কয়েকজন যুবক জড়িত থাকতে পারে। কিন্তু মূল ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে শাহীন শুধু তারেককে আটক করে এবং অন্য কারও নাম প্রকাশ না করার জন্য ভুক্তভোগী পরিবার ও অভিযুক্ত যুবককে হুমকি দেয়। স্থানীয়রা এই ঘটনার একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তারা আরও অভিযোগ করেন, এই গ্রামে একটি অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী চক্র দীর্ঘদিন ধরে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত শাহীনের মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মো. নুরুল হাকীম জানান, ধর্ষণের এই অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ করার প্রক্রিয়া চলছে এবং এ ঘটনায় ইতিমধ্যে একজন আটক রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে অন্য কোনো অপরাধী জড়িত আছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন