রাজধানীর বসিলা এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় দ্বীপ মজুমদার নামে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ। নিহত দ্বীপ মজুমদার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের ৫০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং শহীদ রফিক-জব্বার হলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন।
রোববার ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নৌ-পুলিশ) মাহফুজুর রহমান নদী থেকে এই অজ্ঞাত লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। প্রাথমিকভাবে জাবির সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ৫৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আন্নী আক্তারের ফুফাতো ভাই নদীতে লাশটি দেখতে পান এবং লাশের কাছে পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয়পত্রের ছবি তুলে পাঠান। পরবর্তীতে আন্নী বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট একটি ফেসবুক গ্রুপে পরিচয়পত্রের ছবিসহ বিষয়টি শেয়ার করলে দ্বীপের পরিচয় শনাক্ত হয়।
দ্বীপ মজুমদারের সহপাঠী ইব্রাহিম জানান, পরশু দিন পরিবারের প্রতি অভিমান করে বাসা থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর থেকেই দ্বীপের মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল। নিহত শিক্ষার্থীর পিতা মানিক মজুমদার বলেন, দুই দিন ধরে দ্বীপ অভিমান করে বাড়ির বাইরে থাকায় তারা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, কিন্তু এর মধ্যেই ছেলের মৃত্যুর খবর পান। তিনি আরও জানান, তার ছেলের কোনো শত্রু ছিল না এবং সে অত্যন্ত সহজ-সরল ও ভদ্র স্বভাবের মানুষ ছিল।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক একেএম রাশেদুল আলম জানান, তারা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন এবং পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য শিক্ষার্থীর সহপাঠী ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন।
নৌপুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান জানান, উদ্ধার হওয়া পরিচয়পত্র অনুযায়ী নিহতের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনাটির তদন্ত চলছে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
রাজধানীর বসিলা এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় দ্বীপ মজুমদার নামে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ। নিহত দ্বীপ মজুমদার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের ৫০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং শহীদ রফিক-জব্বার হলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন।
রোববার ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নৌ-পুলিশ) মাহফুজুর রহমান নদী থেকে এই অজ্ঞাত লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। প্রাথমিকভাবে জাবির সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ৫৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আন্নী আক্তারের ফুফাতো ভাই নদীতে লাশটি দেখতে পান এবং লাশের কাছে পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয়পত্রের ছবি তুলে পাঠান। পরবর্তীতে আন্নী বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট একটি ফেসবুক গ্রুপে পরিচয়পত্রের ছবিসহ বিষয়টি শেয়ার করলে দ্বীপের পরিচয় শনাক্ত হয়।
দ্বীপ মজুমদারের সহপাঠী ইব্রাহিম জানান, পরশু দিন পরিবারের প্রতি অভিমান করে বাসা থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর থেকেই দ্বীপের মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল। নিহত শিক্ষার্থীর পিতা মানিক মজুমদার বলেন, দুই দিন ধরে দ্বীপ অভিমান করে বাড়ির বাইরে থাকায় তারা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, কিন্তু এর মধ্যেই ছেলের মৃত্যুর খবর পান। তিনি আরও জানান, তার ছেলের কোনো শত্রু ছিল না এবং সে অত্যন্ত সহজ-সরল ও ভদ্র স্বভাবের মানুষ ছিল।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক একেএম রাশেদুল আলম জানান, তারা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন এবং পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য শিক্ষার্থীর সহপাঠী ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন।
নৌপুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান জানান, উদ্ধার হওয়া পরিচয়পত্র অনুযায়ী নিহতের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনাটির তদন্ত চলছে।

আপনার মতামত লিখুন