নেত্রকোনার পৃথক দুটি স্থানে বজ্রপাতে এক কৃষক ও এক সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকালে বৃষ্টির সময় সদর উপজেলার আমতলা ও কাইলাটী ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার আমতলা ইউনিয়নের সাপমারা গ্রামের কৃষক জামাল মুন্সি বৃষ্টির মধ্যে বাড়ির সামনে কাজ করার সময় বজ্রপাতে মারা যান। একই সময়ে কাইলাটী ইউনিয়নের কুতুবপুর গ্রামের অটোরিকশাচালক সবুজ মিয়া বাড়ি থেকে বের হয়ে হাটে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এই জোড়া মৃত্যুর ঘটনায় থানায় পৃথক দুটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে।
নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান জানিয়েছেন, বজ্রপাতে নিহত ব্যক্তিদের দাফন-কাফনের জন্য সরকারি সহায়তা হিসেবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রত্যেক পরিবারকে তাৎক্ষণিকভাবে ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
নেত্রকোনার পৃথক দুটি স্থানে বজ্রপাতে এক কৃষক ও এক সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকালে বৃষ্টির সময় সদর উপজেলার আমতলা ও কাইলাটী ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার আমতলা ইউনিয়নের সাপমারা গ্রামের কৃষক জামাল মুন্সি বৃষ্টির মধ্যে বাড়ির সামনে কাজ করার সময় বজ্রপাতে মারা যান। একই সময়ে কাইলাটী ইউনিয়নের কুতুবপুর গ্রামের অটোরিকশাচালক সবুজ মিয়া বাড়ি থেকে বের হয়ে হাটে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এই জোড়া মৃত্যুর ঘটনায় থানায় পৃথক দুটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে।
নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান জানিয়েছেন, বজ্রপাতে নিহত ব্যক্তিদের দাফন-কাফনের জন্য সরকারি সহায়তা হিসেবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রত্যেক পরিবারকে তাৎক্ষণিকভাবে ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন