যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর অবশেষে ওমানের কাছাকাছি কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া ১১ হাজারেরও বেশি নাবিককে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করেছে জাতিসংঘের সামুদ্রিক সংস্থা। গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিকে ইরান কর্তৃক এই আন্তর্জাতিক জলপথ অবরুদ্ধ করার পর থেকে শত শত বাণিজ্যিক জাহাজ ও হাজার হাজার নাবিক সেখানে আটকা পড়েছিলেন।
দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে গভীর সমুদ্রে অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকার কারণে এই বিপুল সংখ্যক নাবিকের অনেকেই চরম শারীরিক ও মানসিক চাপের মুখে পড়েছিলেন। জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থাটি জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী এখন ধাপে ধাপে এসব জাহাজ থেকে নাবিকদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। একই সাথে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই আন্তর্জাতিক রুটটিতে আটকে থাকা বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারি মাসে ইরান এই প্রণালিটি কার্যত বন্ধ করে দেওয়ার পর বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক পণ্য পরিবহনে বড় ধরনের সংকট ও নেতিবাচক প্রভাব তৈরি হয়েছিল। বর্তমান সমঝোতার ফলে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটায় এবং ধাপে ধাপে জাহাজ চলাচল সচল হতে শুরু করায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মহলে স্বস্তি ফিরছে। তবে সব নাবিককে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার এই বিশাল উদ্ধার অভিযানটি সম্পূর্ণ শেষ হতে আরও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর অবশেষে ওমানের কাছাকাছি কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া ১১ হাজারেরও বেশি নাবিককে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করেছে জাতিসংঘের সামুদ্রিক সংস্থা। গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিকে ইরান কর্তৃক এই আন্তর্জাতিক জলপথ অবরুদ্ধ করার পর থেকে শত শত বাণিজ্যিক জাহাজ ও হাজার হাজার নাবিক সেখানে আটকা পড়েছিলেন।
দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে গভীর সমুদ্রে অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকার কারণে এই বিপুল সংখ্যক নাবিকের অনেকেই চরম শারীরিক ও মানসিক চাপের মুখে পড়েছিলেন। জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থাটি জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী এখন ধাপে ধাপে এসব জাহাজ থেকে নাবিকদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। একই সাথে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই আন্তর্জাতিক রুটটিতে আটকে থাকা বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারি মাসে ইরান এই প্রণালিটি কার্যত বন্ধ করে দেওয়ার পর বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক পণ্য পরিবহনে বড় ধরনের সংকট ও নেতিবাচক প্রভাব তৈরি হয়েছিল। বর্তমান সমঝোতার ফলে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটায় এবং ধাপে ধাপে জাহাজ চলাচল সচল হতে শুরু করায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মহলে স্বস্তি ফিরছে। তবে সব নাবিককে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার এই বিশাল উদ্ধার অভিযানটি সম্পূর্ণ শেষ হতে আরও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।

আপনার মতামত লিখুন