চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মনজুর আলমের বাসায় এনসিপি নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর আগমনকে কেন্দ্র করে এক অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। হাসনাত আব্দুল্লাহ মনজুর আলমের বাসভবন থেকে বের হওয়ার সময় বাইরে একদল যুবক জড়ো হয়ে তাকে নানা প্রশ্নবাণে জর্জরিত করেন, যার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই যুবকরা নিজেদের ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দিয়ে মনজুর আলমকে ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ হিসেবে আখ্যা দেন এবং তার বাসায় আসার কারণ জানতে চান।
এই ঘটনার বিষয়ে সাবেক মেয়র মনজুর আলম জানান, চট্টগ্রামে একটি প্রোগ্রাম শেষে হাসনাত আব্দুল্লাহ তাকে ফোন করে বাসায় আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। সেই আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহ বিকাল ৩টার দিকে তার বাসায় আসেন এবং দুপুরের খাবার খান। এর কিছুক্ষণ পর স্থানীয় কিছু ছেলে বাইরে জড়ো হলে হাসনাত আব্দুল্লাহ নিজেই তাদের সঙ্গে কথা বলে সন্ধ্যা ৬টার দিকে স্থান ত্যাগ করেন।
নিজে সম্পর্কে ওঠা ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ অভিযোগের কড়া জবাব দিয়ে মনজুর আলম বলেন, তার নামে কোনো মামলা নেই এবং তিনি কখনোই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তিনি স্পষ্টভাবে মনে করিয়ে দেন যে, তিনি বিএনপির মনোনীত মেয়র ছিলেন এবং ২০১৫ সালের নির্বাচনের পর রাজনীতি থেকে অবসর নিয়েছেন। তার দাবি, বিক্ষোভ করতে আসা যুবকরা স্থানীয় এবং তাদের অনেকেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।
আগামীতে এনসিপির হয়ে পুনরায় মেয়র নির্বাচন করার গুঞ্জন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, এটি মানুষের কল্পনা বা কানাঘুষা মাত্র; তিনি কাউকে এমন কথা বলেননি। এমনকি হাসনাত আব্দুল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাতের সময়ও নির্বাচন নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলে তিনি দাবি করেন। বর্তমানে তিনি সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গেই নিবিড়ভাবে জড়িত রয়েছেন।
উল্লেখ্য, মনজুর আলম ২০১০ সালে বিএনপির সমর্থনে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন এবং ২০১৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ সময় পর রাজনীতিতে তার সম্ভাব্য ফেরা নিয়ে গুঞ্জন উঠলেও তিনি বর্তমানে সমাজসেবাকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মনজুর আলমের বাসায় এনসিপি নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর আগমনকে কেন্দ্র করে এক অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। হাসনাত আব্দুল্লাহ মনজুর আলমের বাসভবন থেকে বের হওয়ার সময় বাইরে একদল যুবক জড়ো হয়ে তাকে নানা প্রশ্নবাণে জর্জরিত করেন, যার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই যুবকরা নিজেদের ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দিয়ে মনজুর আলমকে ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ হিসেবে আখ্যা দেন এবং তার বাসায় আসার কারণ জানতে চান।
এই ঘটনার বিষয়ে সাবেক মেয়র মনজুর আলম জানান, চট্টগ্রামে একটি প্রোগ্রাম শেষে হাসনাত আব্দুল্লাহ তাকে ফোন করে বাসায় আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। সেই আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহ বিকাল ৩টার দিকে তার বাসায় আসেন এবং দুপুরের খাবার খান। এর কিছুক্ষণ পর স্থানীয় কিছু ছেলে বাইরে জড়ো হলে হাসনাত আব্দুল্লাহ নিজেই তাদের সঙ্গে কথা বলে সন্ধ্যা ৬টার দিকে স্থান ত্যাগ করেন।
নিজে সম্পর্কে ওঠা ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ অভিযোগের কড়া জবাব দিয়ে মনজুর আলম বলেন, তার নামে কোনো মামলা নেই এবং তিনি কখনোই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তিনি স্পষ্টভাবে মনে করিয়ে দেন যে, তিনি বিএনপির মনোনীত মেয়র ছিলেন এবং ২০১৫ সালের নির্বাচনের পর রাজনীতি থেকে অবসর নিয়েছেন। তার দাবি, বিক্ষোভ করতে আসা যুবকরা স্থানীয় এবং তাদের অনেকেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।
আগামীতে এনসিপির হয়ে পুনরায় মেয়র নির্বাচন করার গুঞ্জন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, এটি মানুষের কল্পনা বা কানাঘুষা মাত্র; তিনি কাউকে এমন কথা বলেননি। এমনকি হাসনাত আব্দুল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাতের সময়ও নির্বাচন নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলে তিনি দাবি করেন। বর্তমানে তিনি সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গেই নিবিড়ভাবে জড়িত রয়েছেন।
উল্লেখ্য, মনজুর আলম ২০১০ সালে বিএনপির সমর্থনে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন এবং ২০১৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ সময় পর রাজনীতিতে তার সম্ভাব্য ফেরা নিয়ে গুঞ্জন উঠলেও তিনি বর্তমানে সমাজসেবাকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন