ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তির বিষয়ে একটি ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ নিতে শীর্ষ সহযোগীদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসার কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের মালিকানাধীন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প নিজেই সিচুয়েশন রুমে এই বৈঠকে বসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া ওই পোস্টে ট্রাম্প কয়েকটি প্রধান শর্ত উল্লেখ করে বলেছেন, ইরানকে অবশ্যই প্রতিশ্রুতি দিতে হবে যে তারা কখনো পারমাণবিক অস্ত্র বা বোমা তৈরি করবে না। এর পাশাপাশি হরমুজ প্রণালীকে কোনো বাধা ছাড়াই অবাধ নৌ চলাচলের উপযোগী করে সম্পূর্ণ খুলে দিতে হবে এবং জলপথে পাতা সব মাইন ধ্বংস করতে হবে।
শর্তের অংশ হিসেবে ট্রাম্প আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নিয়ে তা ধ্বংস করার সুযোগ দিতে হবে এবং পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে কোনো অর্থ লেনদেন হবে না। তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য বিষয়ে ইতোমধ্যে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে বলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন।
তবে ট্রাম্পের এই দাবির বিপরীতে ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে তারা নিজেদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে কোনো আলোচনা করছে না। দেশটি বরাবরই দাবি করে আসছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ এবং তারা কোনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে না।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে জানান, ইরান এই মুহূর্তে মূলত যুদ্ধ অবসানের দিকেই সম্পূর্ণ মনোনিবেশ করছে। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কিছু বিষয়ে অগ্রগতি হলেও চুক্তি এখনো চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরু করলে জবাবে ইরানও ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন স্থাপনা থাকা দেশগুলোতে পাল্টা হামলা চালায় এবং গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। পরবর্তীতে গত ৮ এপ্রিল দুই পক্ষের মধ্যে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয় এবং এর পর থেকেই ট্রাম্প একটি চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছানোর দাবি করে আসছেন।

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তির বিষয়ে একটি ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ নিতে শীর্ষ সহযোগীদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসার কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের মালিকানাধীন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প নিজেই সিচুয়েশন রুমে এই বৈঠকে বসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া ওই পোস্টে ট্রাম্প কয়েকটি প্রধান শর্ত উল্লেখ করে বলেছেন, ইরানকে অবশ্যই প্রতিশ্রুতি দিতে হবে যে তারা কখনো পারমাণবিক অস্ত্র বা বোমা তৈরি করবে না। এর পাশাপাশি হরমুজ প্রণালীকে কোনো বাধা ছাড়াই অবাধ নৌ চলাচলের উপযোগী করে সম্পূর্ণ খুলে দিতে হবে এবং জলপথে পাতা সব মাইন ধ্বংস করতে হবে।
শর্তের অংশ হিসেবে ট্রাম্প আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নিয়ে তা ধ্বংস করার সুযোগ দিতে হবে এবং পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে কোনো অর্থ লেনদেন হবে না। তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য বিষয়ে ইতোমধ্যে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে বলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন।
তবে ট্রাম্পের এই দাবির বিপরীতে ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে তারা নিজেদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে কোনো আলোচনা করছে না। দেশটি বরাবরই দাবি করে আসছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ এবং তারা কোনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে না।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে জানান, ইরান এই মুহূর্তে মূলত যুদ্ধ অবসানের দিকেই সম্পূর্ণ মনোনিবেশ করছে। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কিছু বিষয়ে অগ্রগতি হলেও চুক্তি এখনো চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরু করলে জবাবে ইরানও ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন স্থাপনা থাকা দেশগুলোতে পাল্টা হামলা চালায় এবং গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। পরবর্তীতে গত ৮ এপ্রিল দুই পক্ষের মধ্যে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয় এবং এর পর থেকেই ট্রাম্প একটি চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছানোর দাবি করে আসছেন।

আপনার মতামত লিখুন