আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ), বিশ্বব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) প্রধানরা শুক্রবার এক যৌথ বিবৃতিতে গোটা বিশ্বকে সতর্ক করে বলেছেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলের জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক না হলে এই গ্রীষ্মে তীব্র জ্বালানি সংকট তৈরি হতে পারে। প্রণালীটি দিয়ে তেল সরবরাহ ব্যাপকভাবে কমে যাওয়ায় বর্তমানে বিশ্বের তেলের মজুদ রেকর্ড গতিতে হ্রাস পাচ্ছে বলে তারা উল্লেখ করেন।
বিবৃতিতে জানানো হয়, জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক না হলে উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকালীন চাহিদা শীর্ষে ওঠার আগেই বিশ্বের তেলের মজুদ দ্রুত শেষ হয়ে যাবে, যা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি নিরাপত্তা, বাজার পরিস্থিতি এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে ক্রমান্বয়ে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যকে এক বড় সংঘাতের মুখে ঠেলে দিয়েছে এবং এর জবাবে ইরান মার্কিন মিত্রদের ওপর হামলার পাশাপাশি বিশ্বের মোট জ্বালানির পাঁচ ভাগের এক ভাগ চলাচলকারী গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীটি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে।
তিন সংস্থার প্রধানরা আরও জানান যে, যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও সার উভয়েরই দাম বাড়ছে এবং এর ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক চাপ মূলত কম আয়ের দেশগুলোর ওপর সবচেয়ে বেশি পড়ছে। বিশেষ করে অনেক দেশে এখন চাষাবাদের মৌসুম শুরু হওয়ায় সারের মূল্যবৃদ্ধি খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।
আইএমএফের প্রধান ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা এর আগে জানিয়েছিলেন, এই যুদ্ধের কারণে বিশ্বের সম্ভাব্য প্রবৃদ্ধির মাত্রা কমাতে হয়েছে এবং চলমান সংকটের কারণে দুর্বল অর্থনীতির দেশগুলোর জন্য ২ হাজার থেকে ৫ হাজার কোটি মার্কিন ডলারের আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন হবে।
আইএমএফের পক্ষ থেকে এই সপ্তাহে জানানো হয়েছে যে, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে একটি আর্থিক সহায়তার প্যাকেজ চেয়েছে এবং দেশটিকে সাহায্য করার জন্য একটি কর্মসূচি তৈরির বিষয়ে বর্তমানে আলোচনা চলছে।
উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল ও গ্যাস আমদানির ওপর নির্ভরশীল দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো এই যুদ্ধের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং আমদানিনির্ভর দেশগুলো সার সরবরাহের সংকটে পড়ে বর্তমানে কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে।

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ), বিশ্বব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) প্রধানরা শুক্রবার এক যৌথ বিবৃতিতে গোটা বিশ্বকে সতর্ক করে বলেছেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলের জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক না হলে এই গ্রীষ্মে তীব্র জ্বালানি সংকট তৈরি হতে পারে। প্রণালীটি দিয়ে তেল সরবরাহ ব্যাপকভাবে কমে যাওয়ায় বর্তমানে বিশ্বের তেলের মজুদ রেকর্ড গতিতে হ্রাস পাচ্ছে বলে তারা উল্লেখ করেন।
বিবৃতিতে জানানো হয়, জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক না হলে উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকালীন চাহিদা শীর্ষে ওঠার আগেই বিশ্বের তেলের মজুদ দ্রুত শেষ হয়ে যাবে, যা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি নিরাপত্তা, বাজার পরিস্থিতি এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে ক্রমান্বয়ে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যকে এক বড় সংঘাতের মুখে ঠেলে দিয়েছে এবং এর জবাবে ইরান মার্কিন মিত্রদের ওপর হামলার পাশাপাশি বিশ্বের মোট জ্বালানির পাঁচ ভাগের এক ভাগ চলাচলকারী গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীটি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে।
তিন সংস্থার প্রধানরা আরও জানান যে, যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও সার উভয়েরই দাম বাড়ছে এবং এর ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক চাপ মূলত কম আয়ের দেশগুলোর ওপর সবচেয়ে বেশি পড়ছে। বিশেষ করে অনেক দেশে এখন চাষাবাদের মৌসুম শুরু হওয়ায় সারের মূল্যবৃদ্ধি খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।
আইএমএফের প্রধান ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা এর আগে জানিয়েছিলেন, এই যুদ্ধের কারণে বিশ্বের সম্ভাব্য প্রবৃদ্ধির মাত্রা কমাতে হয়েছে এবং চলমান সংকটের কারণে দুর্বল অর্থনীতির দেশগুলোর জন্য ২ হাজার থেকে ৫ হাজার কোটি মার্কিন ডলারের আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন হবে।
আইএমএফের পক্ষ থেকে এই সপ্তাহে জানানো হয়েছে যে, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে একটি আর্থিক সহায়তার প্যাকেজ চেয়েছে এবং দেশটিকে সাহায্য করার জন্য একটি কর্মসূচি তৈরির বিষয়ে বর্তমানে আলোচনা চলছে।
উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল ও গ্যাস আমদানির ওপর নির্ভরশীল দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো এই যুদ্ধের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং আমদানিনির্ভর দেশগুলো সার সরবরাহের সংকটে পড়ে বর্তমানে কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন