মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, চীনের একক আধিপত্য কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। সিঙ্গাপুরে চলমান এশিয়ার শীর্ষ নিরাপত্তা সম্মেলন ‘শাংরি-লা ডায়ালগ’-এ বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।
চীনকে উদ্দেশ্য করে সতর্কবার্তা দিয়ে হেগসেথ বলেন, চীনসহ কোনো রাষ্ট্রই একক আধিপত্য বিস্তার করতে পারবে না এবং আমাদের জাতি ও মিত্রদের নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করতে পারবে না।
তবে এই কঠোর বার্তার পাশাপাশি মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অধীনে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্ক গত বহু বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে।
তিনি বলেন, আমরা আমাদের চীনা সমকক্ষদের সঙ্গে সামরিক পর্যায়ে যোগাযোগের পথ উন্মুক্ত রেখে আগের চেয়ে আরও ঘন ঘন বৈঠক করছি। একই সঙ্গে তিনি যোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র চায় চীন যেন এই অঞ্চলে আমাদের দীর্ঘদিনের অবস্থানকে সম্মান জানায়।
পিট হেগসেথ জোর দিয়ে বলেন, যে কোনো একটি পক্ষের একক আধিপত্য এই অঞ্চলের ক্ষমতার ভারসাম্যকে নষ্ট করবে। ইরান যুদ্ধের কারণে গত কয়েক মাস ধরে ওয়াশিংটনের পুরো মনোযোগ অন্য দিকে থাকলেও, যুক্তরাষ্ট্র একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, চীনের একক আধিপত্য কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। সিঙ্গাপুরে চলমান এশিয়ার শীর্ষ নিরাপত্তা সম্মেলন ‘শাংরি-লা ডায়ালগ’-এ বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।
চীনকে উদ্দেশ্য করে সতর্কবার্তা দিয়ে হেগসেথ বলেন, চীনসহ কোনো রাষ্ট্রই একক আধিপত্য বিস্তার করতে পারবে না এবং আমাদের জাতি ও মিত্রদের নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করতে পারবে না।
তবে এই কঠোর বার্তার পাশাপাশি মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অধীনে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্ক গত বহু বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে।
তিনি বলেন, আমরা আমাদের চীনা সমকক্ষদের সঙ্গে সামরিক পর্যায়ে যোগাযোগের পথ উন্মুক্ত রেখে আগের চেয়ে আরও ঘন ঘন বৈঠক করছি। একই সঙ্গে তিনি যোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র চায় চীন যেন এই অঞ্চলে আমাদের দীর্ঘদিনের অবস্থানকে সম্মান জানায়।
পিট হেগসেথ জোর দিয়ে বলেন, যে কোনো একটি পক্ষের একক আধিপত্য এই অঞ্চলের ক্ষমতার ভারসাম্যকে নষ্ট করবে। ইরান যুদ্ধের কারণে গত কয়েক মাস ধরে ওয়াশিংটনের পুরো মনোযোগ অন্য দিকে থাকলেও, যুক্তরাষ্ট্র একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আপনার মতামত লিখুন