ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ নিতে শীর্ষ সহযোগীদের সঙ্গে হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে দীর্ঘ আলোচনার পরও মার্কিন প্রেসিডেন্ট আলোচকদের খসড়া প্রস্তাবে অনুমোদন না দিয়ে বৈঠক ত্যাগ করায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি এখনো গভীর অনিশ্চয়তার দোলাচলে রয়েছে।
বৈঠকের পরও কোনো সমঝোতা বা পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো বার্তা পাওয়া না গেলেও হোয়াইট হাউস কর্মকর্তারা এখনো চুক্তির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলছেন যে দু'পক্ষই চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।
অন্যদিকে ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে যে কোনো সমঝোতা স্মারকই এখনো চূড়ান্ত হয়নি; বিশেষ করে ইরানের জব্দকৃত সম্পদ ছাড়, পরমাণু কর্মসূচি এবং সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম স্থানান্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোতে দুই দেশের মধ্যে এখনো স্পষ্ট দ্বিমত রয়ে গেছে।
তবে ট্রাম্প তাঁর অবস্থানে অনড় থেকে ঘোষণা দিয়েছেন যে, ইরানকে অবশ্যই কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার প্রতিশ্রুতি দিতে হবে এবং একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি অবাধ নৌযান চলাচলের জন্য খুলে দিয়ে সেখানকার সব মাইন অপসারণ ও ধ্বংস করতে হবে।
এর আগে বৈঠকের শুরুতে ইরান পরিষ্কার জানিয়েছিল যে তারা তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে কোনো আলোচনা করছে না।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালানোর জবাবে ইরানও ইসরাইল ও উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায় এবং কার্যত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়, যার ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। তবে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে পরিস্থিতি শান্ত করার আলোচনার মধ্যেই দুই দেশ একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগও তুলেছে।

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬
ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ নিতে শীর্ষ সহযোগীদের সঙ্গে হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে দীর্ঘ আলোচনার পরও মার্কিন প্রেসিডেন্ট আলোচকদের খসড়া প্রস্তাবে অনুমোদন না দিয়ে বৈঠক ত্যাগ করায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি এখনো গভীর অনিশ্চয়তার দোলাচলে রয়েছে।
বৈঠকের পরও কোনো সমঝোতা বা পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো বার্তা পাওয়া না গেলেও হোয়াইট হাউস কর্মকর্তারা এখনো চুক্তির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলছেন যে দু'পক্ষই চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।
অন্যদিকে ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে যে কোনো সমঝোতা স্মারকই এখনো চূড়ান্ত হয়নি; বিশেষ করে ইরানের জব্দকৃত সম্পদ ছাড়, পরমাণু কর্মসূচি এবং সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম স্থানান্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোতে দুই দেশের মধ্যে এখনো স্পষ্ট দ্বিমত রয়ে গেছে।
তবে ট্রাম্প তাঁর অবস্থানে অনড় থেকে ঘোষণা দিয়েছেন যে, ইরানকে অবশ্যই কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার প্রতিশ্রুতি দিতে হবে এবং একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি অবাধ নৌযান চলাচলের জন্য খুলে দিয়ে সেখানকার সব মাইন অপসারণ ও ধ্বংস করতে হবে।
এর আগে বৈঠকের শুরুতে ইরান পরিষ্কার জানিয়েছিল যে তারা তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে কোনো আলোচনা করছে না।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালানোর জবাবে ইরানও ইসরাইল ও উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায় এবং কার্যত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়, যার ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। তবে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে পরিস্থিতি শান্ত করার আলোচনার মধ্যেই দুই দেশ একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগও তুলেছে।

আপনার মতামত লিখুন