দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত নীতিমালা ও পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বুধবার (১৫ এপ্রিল ২০২৬) সকালে সিলেটের জালালাবাদ গ্যাস অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের জন্য রেগুলেটরি বোর্ড: শিক্ষামন্ত্রী জানান, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই সরকারি নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকতে পারবে না। ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোকে একটি সুনির্দিষ্ট রেগুলেটরি বোর্ডের আওতায় আনতে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্টদের সাথে বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। অতিরিক্ত ফি আদায়, কোচিং নির্ভরতা এবং একাধিকবার রেজিস্ট্রেশন ফি নেওয়ার মতো অনিয়ম বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শিক্ষার মানোন্নয়নে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা: শিক্ষামন্ত্রী জানান, সরকার ১৮০ দিনের একটি বিশেষ কর্মপরিকল্পনার আওতায় ২২টি কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ড্রেস প্রদান, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম জোরদার এবং প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে বিএনসিসি, গার্লস গাইড ও স্কাউট কার্যক্রম বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ডিজিটাল নকল ও খাতা মূল্যায়ন: পরীক্ষায় নকলের ধরন বদলে এখন 'ডিজিটাল' হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, "শুধু শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নয়, বরং কারিকুলাম ও শিক্ষকতার মান উন্নত করে নকলের মূল কারণ দূর করতে হবে।" এছাড়া খাতা মূল্যায়নে স্বচ্ছতা আনতে 'র্যান্ডম স্যাম্পলিং' পদ্ধতি চালু করা হবে যাতে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে কোনো বৈষম্য না থাকে।
প্রযুক্তির ব্যবহার ও অনলাইন শিক্ষা: শিক্ষা কার্যক্রম তদারকি করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, "মন্ত্রণালয় থেকেই যেন ক্লাসরুম পর্যবেক্ষণ করা যায়, সেই লক্ষ্যেই এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।" এছাড়া বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের বাস্তবতায় অনলাইন ও অফলাইন শিক্ষার সমন্বয়ে (একদিন স্কুল, একদিন বাসা) পাঠদান চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দেন তিনি।
শিক্ষকদের জন্য সুখবর: শিক্ষকদের মানোন্নয়নে এনটিআরসিএ-এর মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সংস্কারের পাশাপাশি শিক্ষকদের জন্য পৃথক বেতন স্কেল, মেডিকেল অ্যালাউন্স ও হাউজ রেন্ট বৃদ্ধির বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে বলে মন্ত্রী জানান।
সিলেট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এই সভায় সিলেট অঞ্চলের শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কেন্দ্র সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত নীতিমালা ও পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বুধবার (১৫ এপ্রিল ২০২৬) সকালে সিলেটের জালালাবাদ গ্যাস অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের জন্য রেগুলেটরি বোর্ড: শিক্ষামন্ত্রী জানান, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই সরকারি নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকতে পারবে না। ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোকে একটি সুনির্দিষ্ট রেগুলেটরি বোর্ডের আওতায় আনতে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্টদের সাথে বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। অতিরিক্ত ফি আদায়, কোচিং নির্ভরতা এবং একাধিকবার রেজিস্ট্রেশন ফি নেওয়ার মতো অনিয়ম বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শিক্ষার মানোন্নয়নে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা: শিক্ষামন্ত্রী জানান, সরকার ১৮০ দিনের একটি বিশেষ কর্মপরিকল্পনার আওতায় ২২টি কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ড্রেস প্রদান, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম জোরদার এবং প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে বিএনসিসি, গার্লস গাইড ও স্কাউট কার্যক্রম বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ডিজিটাল নকল ও খাতা মূল্যায়ন: পরীক্ষায় নকলের ধরন বদলে এখন 'ডিজিটাল' হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, "শুধু শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নয়, বরং কারিকুলাম ও শিক্ষকতার মান উন্নত করে নকলের মূল কারণ দূর করতে হবে।" এছাড়া খাতা মূল্যায়নে স্বচ্ছতা আনতে 'র্যান্ডম স্যাম্পলিং' পদ্ধতি চালু করা হবে যাতে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে কোনো বৈষম্য না থাকে।
প্রযুক্তির ব্যবহার ও অনলাইন শিক্ষা: শিক্ষা কার্যক্রম তদারকি করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, "মন্ত্রণালয় থেকেই যেন ক্লাসরুম পর্যবেক্ষণ করা যায়, সেই লক্ষ্যেই এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।" এছাড়া বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের বাস্তবতায় অনলাইন ও অফলাইন শিক্ষার সমন্বয়ে (একদিন স্কুল, একদিন বাসা) পাঠদান চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দেন তিনি।
শিক্ষকদের জন্য সুখবর: শিক্ষকদের মানোন্নয়নে এনটিআরসিএ-এর মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সংস্কারের পাশাপাশি শিক্ষকদের জন্য পৃথক বেতন স্কেল, মেডিকেল অ্যালাউন্স ও হাউজ রেন্ট বৃদ্ধির বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে বলে মন্ত্রী জানান।
সিলেট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এই সভায় সিলেট অঞ্চলের শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কেন্দ্র সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন