বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফাকে মসজিদে নামাজ পড়ার সময় হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলে জাতীয় সংসদে অভিযোগ করা হয়েছে। নেত্রকোনা-৫ আসনের এই সংসদ সদস্য আজ রোববার সংসদে তার ওপর হওয়া হামলার বিবরণ দিয়ে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা দাবি করেন। তিনি জানান, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের আতকাপাড়া এলাকায় একটি ফিলিং স্টেশনে মাগরিবের নামাজ পড়তে গেলে একদল সন্ত্রাসী তার ওপর এই হামলা চালায়।
সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফা জানান, হামলাকারীরা নিজেদের বিএনপি পরিচয় দিয়ে প্রথমে তার গাড়ি ভাঙচুর করে এবং তার লোকজনকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে। পরবর্তীতে তারা মসজিদে ঢুকে তাকে খোঁজার চেষ্টা করে এবং হত্যার হুমকি দিয়ে মসজিদের দরজা ভাঙার চেষ্টা চালায়। মুসল্লিদের প্রতিরোধের কারণে হামলাকারীরা ভেতরে প্রবেশ করতে না পারায় তিনি প্রাণে বেঁচে যান বলে সংসদে উল্লেখ করেন। তিনি আরও দাবি করেন, তাকে হত্যার জন্য সেখানে পেশাদার খুনি নিয়োগ করা হয়েছিল।
হামলার ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে এই সংসদ সদস্য বলেন, পুলিশ যাদের গ্রেফতার করেছে তাদের মধ্যে মাত্র একজন তালিকাভুক্ত আসামি এবং বাকিরা নিরপরাধ। প্রকৃত আসামিরা বর্তমানে মিছিল করছে জানিয়ে তিনি দ্রুত তাদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবি জানান। জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ জানান যে, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছেন এবং ইতোমধ্যে নয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিষয়টিকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে অভিহিত করেন। তিনি জানান, সংসদ নেতা তারেক রহমান বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনার নিশ্চয়তা দিয়েছেন।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফাকে মসজিদে নামাজ পড়ার সময় হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলে জাতীয় সংসদে অভিযোগ করা হয়েছে। নেত্রকোনা-৫ আসনের এই সংসদ সদস্য আজ রোববার সংসদে তার ওপর হওয়া হামলার বিবরণ দিয়ে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা দাবি করেন। তিনি জানান, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের আতকাপাড়া এলাকায় একটি ফিলিং স্টেশনে মাগরিবের নামাজ পড়তে গেলে একদল সন্ত্রাসী তার ওপর এই হামলা চালায়।
সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফা জানান, হামলাকারীরা নিজেদের বিএনপি পরিচয় দিয়ে প্রথমে তার গাড়ি ভাঙচুর করে এবং তার লোকজনকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে। পরবর্তীতে তারা মসজিদে ঢুকে তাকে খোঁজার চেষ্টা করে এবং হত্যার হুমকি দিয়ে মসজিদের দরজা ভাঙার চেষ্টা চালায়। মুসল্লিদের প্রতিরোধের কারণে হামলাকারীরা ভেতরে প্রবেশ করতে না পারায় তিনি প্রাণে বেঁচে যান বলে সংসদে উল্লেখ করেন। তিনি আরও দাবি করেন, তাকে হত্যার জন্য সেখানে পেশাদার খুনি নিয়োগ করা হয়েছিল।
হামলার ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে এই সংসদ সদস্য বলেন, পুলিশ যাদের গ্রেফতার করেছে তাদের মধ্যে মাত্র একজন তালিকাভুক্ত আসামি এবং বাকিরা নিরপরাধ। প্রকৃত আসামিরা বর্তমানে মিছিল করছে জানিয়ে তিনি দ্রুত তাদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবি জানান। জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ জানান যে, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছেন এবং ইতোমধ্যে নয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিষয়টিকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে অভিহিত করেন। তিনি জানান, সংসদ নেতা তারেক রহমান বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনার নিশ্চয়তা দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন