ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় ওই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ রোববার সকালে রাজধানীর বাড্ডার বাসা থেকে মিমোর মরদেহ উদ্ধারের পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই শিক্ষক ও মিমোর এক সহপাঠীকে হেফাজতে নেয় বাড্ডা থানা পুলিশ। বিকেলে মিমোর বাবা আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করলে সুদীপ চক্রবর্তীকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তীর সঙ্গে মিমোর প্রায় ছয় মিনিট ভিডিও কলে কথা হয়েছিল। মিমোর কল হিস্ট্রি থেকে জানা যায়, ওই শিক্ষকের সঙ্গেই তার সর্বশেষ কথা হয়, যদিও পরবর্তী সময়ে শিক্ষক সেই কল হিস্ট্রি মুছে ফেলেছিলেন। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া একটি চিরকুটে ওই শিক্ষকের নাম উল্লেখ করে গেছেন মিমো। সুইসাইড নোটে শিক্ষককে টাকা দেওয়া এবং তার দেওয়া উপহারগুলো ফেরত দেওয়ার কথা লেখা ছিল।
পরিবারের সদস্যরা জানান, মিমো সাধারণত দরজা খোলা রেখে ঘুমালেও আজ ভোরে দরজা বন্ধ দেখে তারা ধাক্কাধাক্কি করেন। কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে তার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এই ঘটনায় আটক হওয়া মিমোর সহপাঠী উম্মে হানিকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বিভাগের চেয়ারম্যান কাজী তামান্না হক সিগমা এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে জানিয়েছেন, মিমোর ফোনের তথ্য বিশ্লেষণ করে একজন শিক্ষকের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। বিভাগের পক্ষ থেকে এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার দাবি করা হয়েছে। বর্তমানে অভিযুক্ত শিক্ষককে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় ওই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ রোববার সকালে রাজধানীর বাড্ডার বাসা থেকে মিমোর মরদেহ উদ্ধারের পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই শিক্ষক ও মিমোর এক সহপাঠীকে হেফাজতে নেয় বাড্ডা থানা পুলিশ। বিকেলে মিমোর বাবা আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করলে সুদীপ চক্রবর্তীকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তীর সঙ্গে মিমোর প্রায় ছয় মিনিট ভিডিও কলে কথা হয়েছিল। মিমোর কল হিস্ট্রি থেকে জানা যায়, ওই শিক্ষকের সঙ্গেই তার সর্বশেষ কথা হয়, যদিও পরবর্তী সময়ে শিক্ষক সেই কল হিস্ট্রি মুছে ফেলেছিলেন। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া একটি চিরকুটে ওই শিক্ষকের নাম উল্লেখ করে গেছেন মিমো। সুইসাইড নোটে শিক্ষককে টাকা দেওয়া এবং তার দেওয়া উপহারগুলো ফেরত দেওয়ার কথা লেখা ছিল।
পরিবারের সদস্যরা জানান, মিমো সাধারণত দরজা খোলা রেখে ঘুমালেও আজ ভোরে দরজা বন্ধ দেখে তারা ধাক্কাধাক্কি করেন। কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে তার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এই ঘটনায় আটক হওয়া মিমোর সহপাঠী উম্মে হানিকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বিভাগের চেয়ারম্যান কাজী তামান্না হক সিগমা এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে জানিয়েছেন, মিমোর ফোনের তথ্য বিশ্লেষণ করে একজন শিক্ষকের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। বিভাগের পক্ষ থেকে এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার দাবি করা হয়েছে। বর্তমানে অভিযুক্ত শিক্ষককে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন