পবিত্র হজের মাস জিলকদ শুরু হয়েছে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে ঐতিহাসিক আরাফাতের ময়দানে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা পালিত হতে পারে। বাংলাদেশ থেকে ইতোমধ্যে হজযাত্রীদের যাত্রা শুরু হয়েছে। এই দীর্ঘ ও পবিত্র সফরকে নির্বিঘ্ন ও সুশৃঙ্খল করতে হজযাত্রীদের জন্য নিচে ১০টি জরুরি পরামর্শ তুলে ধরা হলো:
যাত্রার আগেই নির্ধারিত হজ এজেন্সির কাছ থেকে আপনার ফ্লাইটের তারিখ এবং গন্তব্য (মক্কা না মদিনা) নিশ্চিত করুন। গন্তব্য অনুযায়ী ইহরাম বাঁধা ও পোশাক নির্বাচনের পরিকল্পনা করুন। এছাড়া সরকারি ওয়েবসাইট (hajj.gov.bd) থেকে ট্র্যাকিং নম্বর দিয়ে আপনার নাম, পাসপোর্ট এবং আবাসনের তথ্য যাচাই করে নিন।
সৌদি আরবে ব্যক্তিগত খরচের জন্য আগেভাগেই প্রয়োজনীয় রিয়াল সংগ্রহ করুন অথবা আন্তর্জাতিক এটিএম কার্ড সঙ্গে রাখুন। বিমানভাড়া, খাবার ও যাতায়াতসহ বিভিন্ন খাতের সম্ভাব্য খরচ সম্পর্কে ধারণা রাখা জরুরি। পাশাপাশি শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিতে নির্ধারিত কেন্দ্র থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় টিকা গ্রহণ সম্পন্ন করুন।
লাগেজ গোছানোর ক্ষেত্রে সচেতন হোন। ‘রুট টু মক্কা’ সুবিধার কারণে প্রধান লাগেজ সরাসরি আবাসনে পৌঁছে যাবে, তাই জরুরি ওষুধ ও প্রয়োজনীয় পোশাক হাতব্যাগে রাখুন। হজের প্রতিটি ধাপ ও দোয়া সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পেতে প্রশিক্ষণে অংশ নিন এবং হজের ধরন (তামাত্তু, ইফরাদ বা কিরান) আগেভাগেই ঠিক করে নিন।
পুরো সফরে ধৈর্য ধারণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হজের মূল পাঁচ দিনের কার্যক্রমে মিনা, আরাফাত ও মুজদালিফায় অবস্থানের সময় মানচিত্র সংগ্রহে রাখুন এবং ভিড়ে পথ হারানো এড়াতে সর্বদা তাঁবুর কার্ড গলায় ঝুলিয়ে দলবদ্ধভাবে চলাচল করুন। কুরবানির জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের (প্রায় ৭২০ রিয়াল) সংস্থান আগে থেকেই করে রাখুন।
মদিনায় অবস্থানের সময় ‘নুসুক’ অ্যাপ ব্যবহার করে রিয়াজুল জান্নাতে প্রবেশের অনুমতি বা স্লট আগেভাগে বুক করুন। পরিশেষে, জমজমের পানি সংগ্রহ এবং দেশে ফেরার ক্ষেত্রে এয়ারলাইন্সের লাগেজ সংক্রান্ত নিয়মাবলী মেনে চলুন যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঝামেলা পোহাতে না হয়।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
পবিত্র হজের মাস জিলকদ শুরু হয়েছে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে ঐতিহাসিক আরাফাতের ময়দানে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা পালিত হতে পারে। বাংলাদেশ থেকে ইতোমধ্যে হজযাত্রীদের যাত্রা শুরু হয়েছে। এই দীর্ঘ ও পবিত্র সফরকে নির্বিঘ্ন ও সুশৃঙ্খল করতে হজযাত্রীদের জন্য নিচে ১০টি জরুরি পরামর্শ তুলে ধরা হলো:
যাত্রার আগেই নির্ধারিত হজ এজেন্সির কাছ থেকে আপনার ফ্লাইটের তারিখ এবং গন্তব্য (মক্কা না মদিনা) নিশ্চিত করুন। গন্তব্য অনুযায়ী ইহরাম বাঁধা ও পোশাক নির্বাচনের পরিকল্পনা করুন। এছাড়া সরকারি ওয়েবসাইট (hajj.gov.bd) থেকে ট্র্যাকিং নম্বর দিয়ে আপনার নাম, পাসপোর্ট এবং আবাসনের তথ্য যাচাই করে নিন।
সৌদি আরবে ব্যক্তিগত খরচের জন্য আগেভাগেই প্রয়োজনীয় রিয়াল সংগ্রহ করুন অথবা আন্তর্জাতিক এটিএম কার্ড সঙ্গে রাখুন। বিমানভাড়া, খাবার ও যাতায়াতসহ বিভিন্ন খাতের সম্ভাব্য খরচ সম্পর্কে ধারণা রাখা জরুরি। পাশাপাশি শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিতে নির্ধারিত কেন্দ্র থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় টিকা গ্রহণ সম্পন্ন করুন।
লাগেজ গোছানোর ক্ষেত্রে সচেতন হোন। ‘রুট টু মক্কা’ সুবিধার কারণে প্রধান লাগেজ সরাসরি আবাসনে পৌঁছে যাবে, তাই জরুরি ওষুধ ও প্রয়োজনীয় পোশাক হাতব্যাগে রাখুন। হজের প্রতিটি ধাপ ও দোয়া সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পেতে প্রশিক্ষণে অংশ নিন এবং হজের ধরন (তামাত্তু, ইফরাদ বা কিরান) আগেভাগেই ঠিক করে নিন।
পুরো সফরে ধৈর্য ধারণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হজের মূল পাঁচ দিনের কার্যক্রমে মিনা, আরাফাত ও মুজদালিফায় অবস্থানের সময় মানচিত্র সংগ্রহে রাখুন এবং ভিড়ে পথ হারানো এড়াতে সর্বদা তাঁবুর কার্ড গলায় ঝুলিয়ে দলবদ্ধভাবে চলাচল করুন। কুরবানির জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের (প্রায় ৭২০ রিয়াল) সংস্থান আগে থেকেই করে রাখুন।
মদিনায় অবস্থানের সময় ‘নুসুক’ অ্যাপ ব্যবহার করে রিয়াজুল জান্নাতে প্রবেশের অনুমতি বা স্লট আগেভাগে বুক করুন। পরিশেষে, জমজমের পানি সংগ্রহ এবং দেশে ফেরার ক্ষেত্রে এয়ারলাইন্সের লাগেজ সংক্রান্ত নিয়মাবলী মেনে চলুন যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঝামেলা পোহাতে না হয়।

আপনার মতামত লিখুন