স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের বৈঠক শুরু হয়েছে। আজ বুধবার বেলা ১১টা ৪ মিনিটে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে পুনরায় এই অধিবেশন শুরু হয়। দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী অধিবেশনে বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্যদের সম্পূরক প্রশ্নের উত্তর দেবেন প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে অধিবেশন চলাকালে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সংসদে চরম উত্তেজনা ও হট্টগোল সৃষ্টি হয়। ফজলুর রহমান তার বক্তব্যে মন্তব্য করেন যে, মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ পরিবারের কেউ জামায়াত করতে পারে না এবং এটি করাকে তিনি দ্বিগুণ অপরাধ হিসেবে অভিহিত করেন।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে ফজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে এক মাসের গণঅভ্যুত্থানের তুলনা করার কড়া সমালোচনা করেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এমন তুলনা মুক্তিযুদ্ধকে ছোট করার শামিল। এছাড়া তিনি জামায়াতের আমিরের পারিবারিক প্রেক্ষাপট নিয়ে সমালোচনা করলে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান ও হট্টগোল শুরু করেন।
পরবর্তীতে বিরোধীদলীয় নেতা ফ্লোর নিয়ে ফজলুর রহমানের বক্তব্যের জবাব দেন এবং তার ব্যবহৃত ‘অসংসদীয়’ শব্দগুলো এক্সপাঞ্জ করার জন্য স্পিকারের কাছে অনুরোধ জানান। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদ সদস্যদের শান্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং আজকের বৈঠক পুনরায় শুরু হয়।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের বৈঠক শুরু হয়েছে। আজ বুধবার বেলা ১১টা ৪ মিনিটে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে পুনরায় এই অধিবেশন শুরু হয়। দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী অধিবেশনে বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্যদের সম্পূরক প্রশ্নের উত্তর দেবেন প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে অধিবেশন চলাকালে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সংসদে চরম উত্তেজনা ও হট্টগোল সৃষ্টি হয়। ফজলুর রহমান তার বক্তব্যে মন্তব্য করেন যে, মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ পরিবারের কেউ জামায়াত করতে পারে না এবং এটি করাকে তিনি দ্বিগুণ অপরাধ হিসেবে অভিহিত করেন।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে ফজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে এক মাসের গণঅভ্যুত্থানের তুলনা করার কড়া সমালোচনা করেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এমন তুলনা মুক্তিযুদ্ধকে ছোট করার শামিল। এছাড়া তিনি জামায়াতের আমিরের পারিবারিক প্রেক্ষাপট নিয়ে সমালোচনা করলে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান ও হট্টগোল শুরু করেন।
পরবর্তীতে বিরোধীদলীয় নেতা ফ্লোর নিয়ে ফজলুর রহমানের বক্তব্যের জবাব দেন এবং তার ব্যবহৃত ‘অসংসদীয়’ শব্দগুলো এক্সপাঞ্জ করার জন্য স্পিকারের কাছে অনুরোধ জানান। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদ সদস্যদের শান্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং আজকের বৈঠক পুনরায় শুরু হয়।

আপনার মতামত লিখুন