ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসনের পর চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যে দেশটির সাধারণ জনগণের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ একগুচ্ছ বার্তা দিয়েছেন সরকারের মুখপাত্র ফাতেমা মোহাজেরিনি। মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিদ্যুৎ, অবকাঠামো, শিক্ষা এবং অর্থনীতিসহ বিভিন্ন খাতের বর্তমান পরিস্থিতি ও সরকারি পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
মুখপাত্র জানান, যুদ্ধের প্রভাবে দেশটির অবকাঠামো ও শিক্ষা খাত ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে ১৬টি স্কুল সম্পূর্ণ নতুন করে নির্মাণের প্রয়োজন এবং আরও অনেক স্কুল আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া বেসরকারি খাতের প্রায় ১৮ হাজার আবাসন ইউনিট সংস্কার করতে ৬ মাস থেকে ২ বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। তবে নেকা অঞ্চলে মাত্র ৯৯ দিনে নতুন বিদ্যুৎ ইউনিট চালু করাকে তিনি বড় সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করেন।
শ্রমিকদের অবদানের প্রশংসা করে ফাতেমা বলেন, বোমাবর্ষণের মধ্যেও যারা পানি, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রেখেছেন, দেশ তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। ইন্টারনেট ব্যবস্থা নিয়ে তিনি জানান, বর্তমানে ব্যবসায়িক প্রয়োজনে বিশেষ প্রো-ব্যবস্থা চালু থাকলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সাধারণ ইন্টারনেট ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হবে। একইসঙ্গে তিনি অভ্যন্তরীণ প্ল্যাটফর্মগুলোর মানোন্নয়নের ওপর জোর দেন।
খাদ্য ও অর্থনৈতিক বিষয়ে জনগণকে আশ্বস্ত করে মুখপাত্র বলেন, নৌ-অবরোধ সত্ত্বেও দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের কোনো সংকট নেই, কারণ প্রয়োজনীয় খাদ্যের ৮৫ শতাংশই ইরানে উৎপাদিত হয়। তিনি আরও নিশ্চিত করেন যে, অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের ভাড়া বাড়ানো হবে না। সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সার্বক্ষণিক অবগত আছেন এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীকে পূর্ণ সমর্থন দেওয়া হচ্ছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসনের পর চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যে দেশটির সাধারণ জনগণের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ একগুচ্ছ বার্তা দিয়েছেন সরকারের মুখপাত্র ফাতেমা মোহাজেরিনি। মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিদ্যুৎ, অবকাঠামো, শিক্ষা এবং অর্থনীতিসহ বিভিন্ন খাতের বর্তমান পরিস্থিতি ও সরকারি পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
মুখপাত্র জানান, যুদ্ধের প্রভাবে দেশটির অবকাঠামো ও শিক্ষা খাত ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে ১৬টি স্কুল সম্পূর্ণ নতুন করে নির্মাণের প্রয়োজন এবং আরও অনেক স্কুল আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া বেসরকারি খাতের প্রায় ১৮ হাজার আবাসন ইউনিট সংস্কার করতে ৬ মাস থেকে ২ বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। তবে নেকা অঞ্চলে মাত্র ৯৯ দিনে নতুন বিদ্যুৎ ইউনিট চালু করাকে তিনি বড় সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করেন।
শ্রমিকদের অবদানের প্রশংসা করে ফাতেমা বলেন, বোমাবর্ষণের মধ্যেও যারা পানি, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রেখেছেন, দেশ তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। ইন্টারনেট ব্যবস্থা নিয়ে তিনি জানান, বর্তমানে ব্যবসায়িক প্রয়োজনে বিশেষ প্রো-ব্যবস্থা চালু থাকলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সাধারণ ইন্টারনেট ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হবে। একইসঙ্গে তিনি অভ্যন্তরীণ প্ল্যাটফর্মগুলোর মানোন্নয়নের ওপর জোর দেন।
খাদ্য ও অর্থনৈতিক বিষয়ে জনগণকে আশ্বস্ত করে মুখপাত্র বলেন, নৌ-অবরোধ সত্ত্বেও দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের কোনো সংকট নেই, কারণ প্রয়োজনীয় খাদ্যের ৮৫ শতাংশই ইরানে উৎপাদিত হয়। তিনি আরও নিশ্চিত করেন যে, অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের ভাড়া বাড়ানো হবে না। সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সার্বক্ষণিক অবগত আছেন এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীকে পূর্ণ সমর্থন দেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন