কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করতে বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। আইআরজিসি নৌবাহিনী জানিয়েছে, আরব উপসাগর ও হরমুজ প্রণালির প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার ইরানি উপকূলীয় অঞ্চলে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্য অর্জনে শিগগিরই প্রয়োজনীয় সামরিক ও কৌশলগত পদক্ষেপ বাস্তবায়ন শুরু করবে দেশটি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো হরমুজ প্রণালিকে ইরানের শক্তি ও গর্বের প্রতীক হিসেবে গড়ে তোলা। একইসঙ্গে অঞ্চলটিকে নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায় তেহরান। বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যের প্রায় ২০ শতাংশ এই ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়, যা এই পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরান এই অঞ্চলে তাদের অবস্থান কঠোর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশটি হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, শত্রুভাবাপন্ন দেশগুলোর জাহাজ এই জলপথ ব্যবহার করলে তা লক্ষ্যবস্তু হতে পারে; তবে নিরপেক্ষ দেশগুলো শর্তসাপেক্ষে যাতায়াতের সুযোগ পাবে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সাম্প্রতিক বক্তব্যেও এই অঞ্চলে নতুন কৌশলগত অধ্যায় শুরুর ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করতে বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। আইআরজিসি নৌবাহিনী জানিয়েছে, আরব উপসাগর ও হরমুজ প্রণালির প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার ইরানি উপকূলীয় অঞ্চলে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্য অর্জনে শিগগিরই প্রয়োজনীয় সামরিক ও কৌশলগত পদক্ষেপ বাস্তবায়ন শুরু করবে দেশটি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো হরমুজ প্রণালিকে ইরানের শক্তি ও গর্বের প্রতীক হিসেবে গড়ে তোলা। একইসঙ্গে অঞ্চলটিকে নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায় তেহরান। বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যের প্রায় ২০ শতাংশ এই ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়, যা এই পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরান এই অঞ্চলে তাদের অবস্থান কঠোর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশটি হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, শত্রুভাবাপন্ন দেশগুলোর জাহাজ এই জলপথ ব্যবহার করলে তা লক্ষ্যবস্তু হতে পারে; তবে নিরপেক্ষ দেশগুলো শর্তসাপেক্ষে যাতায়াতের সুযোগ পাবে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সাম্প্রতিক বক্তব্যেও এই অঞ্চলে নতুন কৌশলগত অধ্যায় শুরুর ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

আপনার মতামত লিখুন