ঢাকা নিউজ

জার্মানি থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে উদ্বেগ



জার্মানি থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে উদ্বেগ
ছবি : সংগৃহীত

জার্মানি থেকে ৫ হাজার মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তটি স্থানীয় বাসিন্দাদের ওপর বড় ধরনের আঘাত হিসেবে দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই আকস্মিক সিদ্ধান্তে দক্ষিণ-পশ্চিম জার্মানির ল্যান্ডস্টুল শহরের মানুষ স্তম্ভিত ও স্তব্ধ হয়ে পড়েছেন। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে গড়ে ওঠা গভীর সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সম্পর্কের মাঝে এমন পদক্ষেপ শহরবাসীর কাছে অভাবনীয় এক ধাক্কা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

শুক্রবার রাতে পেন্টাগনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়, জার্মানিতে মোতায়েন থাকা মোট মার্কিন সেনার প্রায় ১৫ শতাংশ প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। এর পাশাপাশি বাইডেন প্রশাসনের পক্ষ থেকে বছরের শেষ দিকে একটি অতিরিক্ত ব্যাটালিয়ন পাঠানোর যে পূর্ব পরিকল্পনা ছিল, সেটিও বাতিল করা হয়েছে। ট্রাম্পের এমন সরাসরি হুমকির সুরে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ স্থানীয় জার্মানদের রীতিমতো চমকে দিয়েছে।

১৯৪৫ সাল থেকে এই অঞ্চলে মার্কিন সেনাদের উপস্থিতি স্থানীয় দৈনন্দিন জীবন ও সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গেছে। কয়েক দশকের এই সৌহার্দ্যের কারণে স্থানীয়রা আমেরিকানদের কেবল সামরিক মিত্র নয়, বরং নিজেদের পরিবারের অংশ হিসেবেই দেখেন। ফলে হঠাৎ এই বিচ্ছেদের ঘোষণা সামাজিক বন্ধনের পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতির ওপরও বড় প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সেনা সংখ্যা কমানো বা পুনর্বিন্যাস নিয়ে এর আগেও আলোচনা হলেও, এবারের সরাসরি সিদ্ধান্তের সুর স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে গভীর শূন্যতা ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে সবচেয়ে বড় মার্কিন সামরিক সম্প্রদায়ের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এই অঞ্চলের মানুষ এমন অনিশ্চিত পরিস্থিতির জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলেন না বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

শনিবার, ০২ মে ২০২৬


জার্মানি থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে উদ্বেগ

প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬

featured Image

জার্মানি থেকে ৫ হাজার মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তটি স্থানীয় বাসিন্দাদের ওপর বড় ধরনের আঘাত হিসেবে দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই আকস্মিক সিদ্ধান্তে দক্ষিণ-পশ্চিম জার্মানির ল্যান্ডস্টুল শহরের মানুষ স্তম্ভিত ও স্তব্ধ হয়ে পড়েছেন। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে গড়ে ওঠা গভীর সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সম্পর্কের মাঝে এমন পদক্ষেপ শহরবাসীর কাছে অভাবনীয় এক ধাক্কা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

শুক্রবার রাতে পেন্টাগনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়, জার্মানিতে মোতায়েন থাকা মোট মার্কিন সেনার প্রায় ১৫ শতাংশ প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। এর পাশাপাশি বাইডেন প্রশাসনের পক্ষ থেকে বছরের শেষ দিকে একটি অতিরিক্ত ব্যাটালিয়ন পাঠানোর যে পূর্ব পরিকল্পনা ছিল, সেটিও বাতিল করা হয়েছে। ট্রাম্পের এমন সরাসরি হুমকির সুরে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ স্থানীয় জার্মানদের রীতিমতো চমকে দিয়েছে।

১৯৪৫ সাল থেকে এই অঞ্চলে মার্কিন সেনাদের উপস্থিতি স্থানীয় দৈনন্দিন জীবন ও সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গেছে। কয়েক দশকের এই সৌহার্দ্যের কারণে স্থানীয়রা আমেরিকানদের কেবল সামরিক মিত্র নয়, বরং নিজেদের পরিবারের অংশ হিসেবেই দেখেন। ফলে হঠাৎ এই বিচ্ছেদের ঘোষণা সামাজিক বন্ধনের পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতির ওপরও বড় প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সেনা সংখ্যা কমানো বা পুনর্বিন্যাস নিয়ে এর আগেও আলোচনা হলেও, এবারের সরাসরি সিদ্ধান্তের সুর স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে গভীর শূন্যতা ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে সবচেয়ে বড় মার্কিন সামরিক সম্প্রদায়ের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এই অঞ্চলের মানুষ এমন অনিশ্চিত পরিস্থিতির জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলেন না বলে জানা গেছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ