সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলায় সোমেশ্বরী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বোয়ালা হাওড়ের ফসলরক্ষা বাঁধ ভেঙে গেছে। শনিবার ভোরে বাঁধের কালভার্টের সামনের অংশ ভেঙে প্রবল বেগে পানি ঢুকতে শুরু করলে হাওড়ের বিস্তীর্ণ এলাকার ফসল তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, বাঁধ নির্মাণে পাউবো ও পিআইসির চরম অবহেলা ছিল। কালভার্টের মুখে আড়-প্যালাসেটিং না থাকায় পানির চাপে বাঁধটি সহজেই ভেঙে পড়ে। সকালে শ্রমিক নিয়ে ধান কাটতে গিয়ে এই দৃশ্য দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা।
কৃষি অফিসের তথ্যমতে, হাওড়ে অন্তত ২০ হেক্টরের মতো জমির ধান এখনো কাটা বাকি ছিল, যা বর্তমানে পানির নিচে। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড দাবি করেছে, অধিকাংশ ধান কাটা শেষ হওয়ার পর বাঁধটি ভেঙেছে, যে কারণে সেটি ঠেকানোর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, স্থানীয়দের সহায়তায় সকাল থেকে বাঁধটি রক্ষার চেষ্টা করেও পানির প্রবল স্রোতের কারণে তা সম্ভব হয়নি। উল্লেখ্য, এর আগে একই উপজেলার শালদিঘা, জিনারিয়া ও ইকরাছই হাওড়েও বাঁধ ভেঙে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলায় সোমেশ্বরী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বোয়ালা হাওড়ের ফসলরক্ষা বাঁধ ভেঙে গেছে। শনিবার ভোরে বাঁধের কালভার্টের সামনের অংশ ভেঙে প্রবল বেগে পানি ঢুকতে শুরু করলে হাওড়ের বিস্তীর্ণ এলাকার ফসল তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, বাঁধ নির্মাণে পাউবো ও পিআইসির চরম অবহেলা ছিল। কালভার্টের মুখে আড়-প্যালাসেটিং না থাকায় পানির চাপে বাঁধটি সহজেই ভেঙে পড়ে। সকালে শ্রমিক নিয়ে ধান কাটতে গিয়ে এই দৃশ্য দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা।
কৃষি অফিসের তথ্যমতে, হাওড়ে অন্তত ২০ হেক্টরের মতো জমির ধান এখনো কাটা বাকি ছিল, যা বর্তমানে পানির নিচে। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড দাবি করেছে, অধিকাংশ ধান কাটা শেষ হওয়ার পর বাঁধটি ভেঙেছে, যে কারণে সেটি ঠেকানোর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, স্থানীয়দের সহায়তায় সকাল থেকে বাঁধটি রক্ষার চেষ্টা করেও পানির প্রবল স্রোতের কারণে তা সম্ভব হয়নি। উল্লেখ্য, এর আগে একই উপজেলার শালদিঘা, জিনারিয়া ও ইকরাছই হাওড়েও বাঁধ ভেঙে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন