রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে একই পরিবারের চারজন বুদ্ধি প্রতিবন্ধী সদস্যের মানবেতর জীবন যাপনের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশের পর তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাথী দাস। শনিবার দুপুরে উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের মৈইজদ্দিন মন্ডল পাড়া গ্রামে ওই ভুক্তভোগী পরিবারের বাড়িতে গিয়ে তিনি মানবিক সহায়তা প্রদান করেন। উপজেলার ওই গ্রামের আতিয়ার মোল্লা, তার স্ত্রী রহিমা বিবি এবং তাদের দুই সন্তানসহ মোট চারজনই বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে একটি জরাজীর্ণ ও ভাঙা ঘরে অত্যন্ত কষ্টের সাথে বসবাস করে আসছিল। ঘরের চাল ছিদ্র হওয়ায় বৃষ্টিতে তাদের আসবাবপত্রহীন ঘরে পানি জমে মানবেতর পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো। ইউএনও সাথী দাস ভুক্তভোগী পরিবারটির ঘর মেরামতের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা খাত থেকে দুই বান্ডিল ঢেউটিন বিতরণ করেন। এছাড়া তিনি পরিবারটিকে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি স্বাস্থ্যসম্মত সরকারি টয়লেট স্থাপন করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। পরিবারটির সকল সদস্যকে সরকারি প্রতিবন্ধী ভাতার আওতায় আনার ঘোষণা দিয়ে ইউএনও বলেন, আপাতত ঘর মেরামতের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং খুব শীঘ্রই অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করা হবে। একই সাথে তিনি সমাজের বিত্তবান মানুষদেরও এই অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। সহায়তা পেয়ে আতিয়ারের বৃদ্ধ পিতা আকবর মোল্লা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, বার্ধক্যের কারণে তিনি নিজে চলতেই অক্ষম, এমতাবস্থায় তার সন্তান ও নাতি-নাতনিদের এই সরকারি সহায়তা তাদের জীবনে বড় এক স্বস্তি নিয়ে এসেছে।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে একই পরিবারের চারজন বুদ্ধি প্রতিবন্ধী সদস্যের মানবেতর জীবন যাপনের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশের পর তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাথী দাস। শনিবার দুপুরে উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের মৈইজদ্দিন মন্ডল পাড়া গ্রামে ওই ভুক্তভোগী পরিবারের বাড়িতে গিয়ে তিনি মানবিক সহায়তা প্রদান করেন। উপজেলার ওই গ্রামের আতিয়ার মোল্লা, তার স্ত্রী রহিমা বিবি এবং তাদের দুই সন্তানসহ মোট চারজনই বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে একটি জরাজীর্ণ ও ভাঙা ঘরে অত্যন্ত কষ্টের সাথে বসবাস করে আসছিল। ঘরের চাল ছিদ্র হওয়ায় বৃষ্টিতে তাদের আসবাবপত্রহীন ঘরে পানি জমে মানবেতর পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো। ইউএনও সাথী দাস ভুক্তভোগী পরিবারটির ঘর মেরামতের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা খাত থেকে দুই বান্ডিল ঢেউটিন বিতরণ করেন। এছাড়া তিনি পরিবারটিকে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি স্বাস্থ্যসম্মত সরকারি টয়লেট স্থাপন করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। পরিবারটির সকল সদস্যকে সরকারি প্রতিবন্ধী ভাতার আওতায় আনার ঘোষণা দিয়ে ইউএনও বলেন, আপাতত ঘর মেরামতের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং খুব শীঘ্রই অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করা হবে। একই সাথে তিনি সমাজের বিত্তবান মানুষদেরও এই অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। সহায়তা পেয়ে আতিয়ারের বৃদ্ধ পিতা আকবর মোল্লা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, বার্ধক্যের কারণে তিনি নিজে চলতেই অক্ষম, এমতাবস্থায় তার সন্তান ও নাতি-নাতনিদের এই সরকারি সহায়তা তাদের জীবনে বড় এক স্বস্তি নিয়ে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন