দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার হাজীপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এক অভিনব ও উদ্বেগজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এমপিওভুক্ত এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে খাতাকলমে প্রায় ২০০ শিক্ষার্থীর নাম থাকলেও চলতি ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়নি একজন শিক্ষার্থীও। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে কাগজ-কলমে শিক্ষার্থীর অভাব না থাকলেও বাস্তবে মাত্র ৬ জন শিক্ষার্থীর উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে।
বিদ্যালয়টির বিগত কয়েক বছরের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ২০২৫ সালে এখান থেকে মাত্র একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। এর আগে ২০২৪ সালে পাঁচজন এবং ২০২৩ সালে ১১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসে। তবে ২০২২ সালে ১১ জন পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল করার পর থেকেই এই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে কমতে শুরু করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উপজেলার ভেড়ভেড়ী ইউনিয়নে ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়টি ২০০১ সালে নিম্ন মাধ্যমিক পর্যায়ে এমপিওভুক্ত হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ১৬ জন শিক্ষক-কর্মচারী কর্মরত থাকলেও নিয়মিত ক্লাস না হওয়া এবং শিক্ষার মান নিয়ে স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ রয়েছে। ফলে অনেক শিক্ষার্থীই অন্য প্রতিষ্ঠানে চলে যাওয়ার প্রবণতা বেড়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রনজিৎ চন্দ্র রায় স্বীকার করেছেন যে ২০২২ সালে একজনও পাস না করায় মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার্থীর সংকট শুরু হয়। তার দাবি, এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার মতো যোগ্য কোনো শিক্ষার্থীই বিদ্যালয়ে ছিল না। বর্তমানে পরিস্থিতি উন্নয়নের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস বিষয়টি নজরে আসার কথা নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুজ্জামান সরকার এই ঘটনাকে উদ্বেগজনক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা করে বিদ্যালয়ের একাডেমিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার হাজীপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এক অভিনব ও উদ্বেগজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এমপিওভুক্ত এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে খাতাকলমে প্রায় ২০০ শিক্ষার্থীর নাম থাকলেও চলতি ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়নি একজন শিক্ষার্থীও। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে কাগজ-কলমে শিক্ষার্থীর অভাব না থাকলেও বাস্তবে মাত্র ৬ জন শিক্ষার্থীর উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে।
বিদ্যালয়টির বিগত কয়েক বছরের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ২০২৫ সালে এখান থেকে মাত্র একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। এর আগে ২০২৪ সালে পাঁচজন এবং ২০২৩ সালে ১১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসে। তবে ২০২২ সালে ১১ জন পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল করার পর থেকেই এই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে কমতে শুরু করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উপজেলার ভেড়ভেড়ী ইউনিয়নে ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়টি ২০০১ সালে নিম্ন মাধ্যমিক পর্যায়ে এমপিওভুক্ত হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ১৬ জন শিক্ষক-কর্মচারী কর্মরত থাকলেও নিয়মিত ক্লাস না হওয়া এবং শিক্ষার মান নিয়ে স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ রয়েছে। ফলে অনেক শিক্ষার্থীই অন্য প্রতিষ্ঠানে চলে যাওয়ার প্রবণতা বেড়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রনজিৎ চন্দ্র রায় স্বীকার করেছেন যে ২০২২ সালে একজনও পাস না করায় মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার্থীর সংকট শুরু হয়। তার দাবি, এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার মতো যোগ্য কোনো শিক্ষার্থীই বিদ্যালয়ে ছিল না। বর্তমানে পরিস্থিতি উন্নয়নের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস বিষয়টি নজরে আসার কথা নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুজ্জামান সরকার এই ঘটনাকে উদ্বেগজনক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা করে বিদ্যালয়ের একাডেমিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন