যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ হওয়া বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির লাশ শনাক্ত করেছে হিলসবরো কাউন্টি শেরিফ অফিস। গত ১৬ এপ্রিল ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি নিখোঁজ হন। শুক্রবার ফ্লোরিডা পুলিশ বৃষ্টির ভাইকে ফোন করে লাশ শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে।
সেন্ট পিটার্সবার্গের উত্তর উপকূলে কায়াক চালিয়ে মাছ ধরার সময় এক জেলের মাধ্যমে বৃষ্টির মরদেহের সন্ধান পাওয়া যায়। ওই জেলের ছিপের সুতা ঝোপের মধ্যে আটকে গেলে সেটি ছাড়াতে গিয়ে তিনি একটি প্লাস্টিকের ব্যাগে লাশের সন্ধান পান। পরে পুলিশ এসে দুর্গন্ধযুক্ত ওই কালো ব্যাগ থেকে বৃষ্টির নিথর দেহ উদ্ধার করে।
লাশে পচন ধরে যাওয়ায় ডিএনএ ও দাঁতের রেকর্ড পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত পরিচয় পাওয়া গেছে। তবে নিখোঁজ হওয়ার সময় বৃষ্টির পরনে যে পোশাক ছিল, লাশের গায়েও একই ধরনের পোশাক পাওয়ায় পুলিশ প্রাথমিকভাবে তাকে শনাক্ত করতে পেরেছিল। ৩০ এপ্রিল সকল পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
এই ঘটনায় হিশাম আবুঘরবেহ নামে লিমনের রুমমেটকে সন্দেহভাজন খুনি হিসেবে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দুটি প্রথম-ডিগ্রি পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। এর আগে ২৪ এপ্রিল টাম্পা বে এলাকার একটি সেতুর কাছ থেকে লিমনের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল।
ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাস এবং মিয়ামিতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট যৌথভাবে বৃষ্টির লাশ দ্রুত দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে। বৃষ্টির পরিবার লাশ দ্রুত দেশে আনার জন্য সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে। অন্যদিকে, লিমনের লাশ দুবাই হয়ে ৪ মে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ হওয়া বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির লাশ শনাক্ত করেছে হিলসবরো কাউন্টি শেরিফ অফিস। গত ১৬ এপ্রিল ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি নিখোঁজ হন। শুক্রবার ফ্লোরিডা পুলিশ বৃষ্টির ভাইকে ফোন করে লাশ শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে।
সেন্ট পিটার্সবার্গের উত্তর উপকূলে কায়াক চালিয়ে মাছ ধরার সময় এক জেলের মাধ্যমে বৃষ্টির মরদেহের সন্ধান পাওয়া যায়। ওই জেলের ছিপের সুতা ঝোপের মধ্যে আটকে গেলে সেটি ছাড়াতে গিয়ে তিনি একটি প্লাস্টিকের ব্যাগে লাশের সন্ধান পান। পরে পুলিশ এসে দুর্গন্ধযুক্ত ওই কালো ব্যাগ থেকে বৃষ্টির নিথর দেহ উদ্ধার করে।
লাশে পচন ধরে যাওয়ায় ডিএনএ ও দাঁতের রেকর্ড পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত পরিচয় পাওয়া গেছে। তবে নিখোঁজ হওয়ার সময় বৃষ্টির পরনে যে পোশাক ছিল, লাশের গায়েও একই ধরনের পোশাক পাওয়ায় পুলিশ প্রাথমিকভাবে তাকে শনাক্ত করতে পেরেছিল। ৩০ এপ্রিল সকল পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
এই ঘটনায় হিশাম আবুঘরবেহ নামে লিমনের রুমমেটকে সন্দেহভাজন খুনি হিসেবে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দুটি প্রথম-ডিগ্রি পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। এর আগে ২৪ এপ্রিল টাম্পা বে এলাকার একটি সেতুর কাছ থেকে লিমনের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল।
ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাস এবং মিয়ামিতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট যৌথভাবে বৃষ্টির লাশ দ্রুত দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে। বৃষ্টির পরিবার লাশ দ্রুত দেশে আনার জন্য সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে। অন্যদিকে, লিমনের লাশ দুবাই হয়ে ৪ মে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন