ঢাকা নিউজ

ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে মার্কিন গোয়েন্দা প্রধানের দাবি



ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে মার্কিন গোয়েন্দা প্রধানের দাবি
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল কাউন্টারটেররিজম সেন্টারের সাবেক পরিচালক জো কেন্ট দাবি করেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার আগে দেশটির কাছে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র নেই বলে ঐকমত্যে পৌঁছেছিল মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। গত বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, সিআইএ-সহ গোয়েন্দা সম্প্রদায় সঠিকভাবে মূল্যায়ন করেছিল যে আক্রান্ত হলে ইরান এশীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালাবে এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেবে।

জো কেন্টের অভিযোগ, গোয়েন্দাদের পেশাদার মূল্যায়ন থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েলের তৈরি করা বয়ান ও এজেন্ডার প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। গত মার্চে নৈতিক কারণে পদত্যাগ করা এই কর্মকর্তা দাবি করেন, ইরান আমেরিকার জন্য কোনো আসন্ন হুমকি ছিল না এবং কেবল শক্তিশালী লবির চাপেই এই যুদ্ধ শুরু হয়েছে।

তবে জো কেন্টের এসব দাবিকে ভিত্তিহীন ও অবমাননাকর বলে উড়িয়ে দিয়েছে হোয়াইট হাউস। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ডেভিস ইঙ্গল এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ইরান বিশ্বের বৃহত্তম সন্ত্রাসবাদী পৃষ্ঠপোষক এবং আমেরিকানদের ওপর আসন্ন হামলার হুমকি ছিল বলেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প 'অপারেশন এপিক ফিউরি' শুরু করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেও এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে স্পষ্ট করেছেন যে, ইসরায়েল তাকে যুদ্ধে নামতে প্ররোচিত করেনি। তিনি জানান, ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের আশঙ্কা এবং আমেরিকানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বর্তমানে দুই পক্ষের এই পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের ফলে ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬


ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে মার্কিন গোয়েন্দা প্রধানের দাবি

প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬

featured Image

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল কাউন্টারটেররিজম সেন্টারের সাবেক পরিচালক জো কেন্ট দাবি করেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার আগে দেশটির কাছে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র নেই বলে ঐকমত্যে পৌঁছেছিল মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। গত বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, সিআইএ-সহ গোয়েন্দা সম্প্রদায় সঠিকভাবে মূল্যায়ন করেছিল যে আক্রান্ত হলে ইরান এশীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালাবে এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেবে।

জো কেন্টের অভিযোগ, গোয়েন্দাদের পেশাদার মূল্যায়ন থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েলের তৈরি করা বয়ান ও এজেন্ডার প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। গত মার্চে নৈতিক কারণে পদত্যাগ করা এই কর্মকর্তা দাবি করেন, ইরান আমেরিকার জন্য কোনো আসন্ন হুমকি ছিল না এবং কেবল শক্তিশালী লবির চাপেই এই যুদ্ধ শুরু হয়েছে।

তবে জো কেন্টের এসব দাবিকে ভিত্তিহীন ও অবমাননাকর বলে উড়িয়ে দিয়েছে হোয়াইট হাউস। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ডেভিস ইঙ্গল এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ইরান বিশ্বের বৃহত্তম সন্ত্রাসবাদী পৃষ্ঠপোষক এবং আমেরিকানদের ওপর আসন্ন হামলার হুমকি ছিল বলেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প 'অপারেশন এপিক ফিউরি' শুরু করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেও এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে স্পষ্ট করেছেন যে, ইসরায়েল তাকে যুদ্ধে নামতে প্ররোচিত করেনি। তিনি জানান, ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের আশঙ্কা এবং আমেরিকানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বর্তমানে দুই পক্ষের এই পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের ফলে ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ