লিওনেল মেসি ও ডিয়েগো ম্যারাডোনা—আর্জেন্টাইন ফুটবলের এই দুই কিংবদন্তির ক্যারিয়ারের গল্পগুলো যেন বারবার একই বিন্দুতে এসে মিলে যায়। ২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে গত ২২ জুন রাতে ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে মাঠে নেমেছিলেন মেসি। আর এই একটি ম্যাচেই মেসি তার অনবদ্য পারফরম্যান্সে ম্যারাডোনার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে আনন্দ এবং বেদনার দুটি ঐতিহাসিক স্মৃতিকে ফিরিয়ে এনেছেন ভিন্ন দুটি রেকর্ডের মাধ্যমে।
১৯৯৪ সালের ৩০ জুন ডালাসের মাঠে ডোপ টেস্টে পজিটিভ হয়ে ১৫ মাসের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছিলেন ম্যারাডোনা। অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বলেছিলেন, ‘ওরা তো আমার পা দুটো কেটেই ফেলল!’ ম্যারাডোনাকে হারানোর পর সেই ডালাসেই বুলগেরিয়ার কাছে হেরে এবং পরবর্তীতে রোমানিয়ার কাছে ৩-২ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছিল আর্জেন্টিনা।
ঠিক ৩২ বছর পর, সেই একই শহর ডালাসের মাঠে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে পেনাল্টি মিস করে বসেন লিওনেল মেসি। এই মিসের মাধ্যমে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক পেনাল্টি মিসের এক অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড গড়েন মেসি, যা মুহূর্তের জন্য হলেও ফুটবলপ্রেমীদের মনে ম্যারাডোনার সেই অভিশপ্ত ডালাস স্মৃতির বেদনাকে উসকে দিয়েছিল।
গল্পের মোড় ঘোরে তারিখের হিসাবে। ২২ জুন—ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা একটি দিন। ১৯৮৬ সালের ঠিক এই তারিখে (২২ জুন) ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাত্র ৪ মিনিটের ব্যবধানে ম্যারাডোনা করেছিলেন ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে আলোচিত দুই গোল—‘হ্যান্ড অফ গড’ এবং ‘গোল অফ দ্য সেঞ্চুরি’।
৪০ বছর পর সেই একই তারিখে (২২ জুন) পেনাল্টি মিসের ধাক্কা সামলে নিয়ে মেসি করলেন দুর্দান্ত জোড়া গোল। এই দুই গোলের প্রথমটি করার মাধ্যমে বিশ্বকাপে নিজের ১৭তম গোল পূর্ণ করে জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসাকে ছাড়িয়ে যান এবং বিশ্বকাপের ইতিহাসে এককভাবে সর্বোচ্চ গোলের নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়েন।
সংক্ষিপ্ত সমীকরণ একই রাতে, একই শহরে (ডালাস) পেনাল্টি মিসের রেকর্ডে মেসি যেমন ম্যারাডোনার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে অন্ধকার অধ্যায়কে মনে করালেন; ঠিক তেমনি ৪০ বছর আগের একই তারিখে (২২ জুন) জোড়া গোল ও সর্বোচ্চ গোলের বিশ্বরেকর্ড গড়ে ম্যারাডোনার ১৯৮৬-এর সেই মহাকাব্যিক আনন্দের দিনটিকে এক অনন্য নৈবেদ্য (ট্রিবিউট) উৎসর্গ করলেন।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
লিওনেল মেসি ও ডিয়েগো ম্যারাডোনা—আর্জেন্টাইন ফুটবলের এই দুই কিংবদন্তির ক্যারিয়ারের গল্পগুলো যেন বারবার একই বিন্দুতে এসে মিলে যায়। ২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে গত ২২ জুন রাতে ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে মাঠে নেমেছিলেন মেসি। আর এই একটি ম্যাচেই মেসি তার অনবদ্য পারফরম্যান্সে ম্যারাডোনার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে আনন্দ এবং বেদনার দুটি ঐতিহাসিক স্মৃতিকে ফিরিয়ে এনেছেন ভিন্ন দুটি রেকর্ডের মাধ্যমে।
১৯৯৪ সালের ৩০ জুন ডালাসের মাঠে ডোপ টেস্টে পজিটিভ হয়ে ১৫ মাসের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছিলেন ম্যারাডোনা। অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বলেছিলেন, ‘ওরা তো আমার পা দুটো কেটেই ফেলল!’ ম্যারাডোনাকে হারানোর পর সেই ডালাসেই বুলগেরিয়ার কাছে হেরে এবং পরবর্তীতে রোমানিয়ার কাছে ৩-২ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছিল আর্জেন্টিনা।
ঠিক ৩২ বছর পর, সেই একই শহর ডালাসের মাঠে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে পেনাল্টি মিস করে বসেন লিওনেল মেসি। এই মিসের মাধ্যমে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক পেনাল্টি মিসের এক অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড গড়েন মেসি, যা মুহূর্তের জন্য হলেও ফুটবলপ্রেমীদের মনে ম্যারাডোনার সেই অভিশপ্ত ডালাস স্মৃতির বেদনাকে উসকে দিয়েছিল।
গল্পের মোড় ঘোরে তারিখের হিসাবে। ২২ জুন—ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা একটি দিন। ১৯৮৬ সালের ঠিক এই তারিখে (২২ জুন) ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাত্র ৪ মিনিটের ব্যবধানে ম্যারাডোনা করেছিলেন ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে আলোচিত দুই গোল—‘হ্যান্ড অফ গড’ এবং ‘গোল অফ দ্য সেঞ্চুরি’।
৪০ বছর পর সেই একই তারিখে (২২ জুন) পেনাল্টি মিসের ধাক্কা সামলে নিয়ে মেসি করলেন দুর্দান্ত জোড়া গোল। এই দুই গোলের প্রথমটি করার মাধ্যমে বিশ্বকাপে নিজের ১৭তম গোল পূর্ণ করে জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসাকে ছাড়িয়ে যান এবং বিশ্বকাপের ইতিহাসে এককভাবে সর্বোচ্চ গোলের নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়েন।
সংক্ষিপ্ত সমীকরণ একই রাতে, একই শহরে (ডালাস) পেনাল্টি মিসের রেকর্ডে মেসি যেমন ম্যারাডোনার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে অন্ধকার অধ্যায়কে মনে করালেন; ঠিক তেমনি ৪০ বছর আগের একই তারিখে (২২ জুন) জোড়া গোল ও সর্বোচ্চ গোলের বিশ্বরেকর্ড গড়ে ম্যারাডোনার ১৯৮৬-এর সেই মহাকাব্যিক আনন্দের দিনটিকে এক অনন্য নৈবেদ্য (ট্রিবিউট) উৎসর্গ করলেন।

আপনার মতামত লিখুন