চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় দুটি বাসের একে অপরকে অতিক্রম (ওভারটেক) করার সময় বাসের জানালা দিয়ে মাথা বের করায় সুমাইয়া জান্নাত (১৯) নামে এক কলেজছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি বাজারসংলগ্ন পুলিশ ফাঁড়ির সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সুমাইয়া জান্নাত চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার পুঁইছড়ি সরলিয়া বাজার এলাকার বাসিন্দা মাওলানা আরিফুর রহমানের মেয়ে। তিনি চট্টগ্রাম সরকারি মহিলা কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার সময় কক্সবাজারমুখী ‘ইম্পেরিয়াল পরিবহণ’-এর একটি বাস এবং বিপরীত দিক থেকে আসা চট্টগ্রামমুখী ‘পূরবী পরিবহণ’-এর একটি বাস পাশাপাশি অতিক্রম করছিল। এ সময় পূরবী পরিবহণের যাত্রী সুমাইয়া অসাবধানতাবশত জানালা দিয়ে মাথা বের করলে বিপরীত দিক থেকে আসা ইম্পেরিয়াল পরিবহণের বাসটির সাথে তার মাথায় প্রচণ্ড ধাক্কা লাগে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং তার মাথা থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন তাকে দ্রুত উদ্ধার করে লোহাগাড়া ট্রমা সেন্টারে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সাইমুন সিরাজ তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের নানা মনসুর আলম জানান, সুমাইয়ার বাবার চাকরির সুবাদে তার পরিবারের সদস্যরা কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার মালুমঘাট এলাকায় বসবাস করেন। মঙ্গলবার সকালে মালুমঘাট থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে কলেজে যাওয়ার পথেই চুনতি এলাকায় এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি।
দোহাজারী হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুস সাত্তার দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার পর ঘাতক বাসটিকে আটক করা হয়েছে। নিহত ছাত্রীর লাশ বর্তমানে লোহাগাড়া ট্রমা সেন্টারে রাখা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর লাশটি তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় দুটি বাসের একে অপরকে অতিক্রম (ওভারটেক) করার সময় বাসের জানালা দিয়ে মাথা বের করায় সুমাইয়া জান্নাত (১৯) নামে এক কলেজছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি বাজারসংলগ্ন পুলিশ ফাঁড়ির সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সুমাইয়া জান্নাত চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার পুঁইছড়ি সরলিয়া বাজার এলাকার বাসিন্দা মাওলানা আরিফুর রহমানের মেয়ে। তিনি চট্টগ্রাম সরকারি মহিলা কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার সময় কক্সবাজারমুখী ‘ইম্পেরিয়াল পরিবহণ’-এর একটি বাস এবং বিপরীত দিক থেকে আসা চট্টগ্রামমুখী ‘পূরবী পরিবহণ’-এর একটি বাস পাশাপাশি অতিক্রম করছিল। এ সময় পূরবী পরিবহণের যাত্রী সুমাইয়া অসাবধানতাবশত জানালা দিয়ে মাথা বের করলে বিপরীত দিক থেকে আসা ইম্পেরিয়াল পরিবহণের বাসটির সাথে তার মাথায় প্রচণ্ড ধাক্কা লাগে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং তার মাথা থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন তাকে দ্রুত উদ্ধার করে লোহাগাড়া ট্রমা সেন্টারে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সাইমুন সিরাজ তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের নানা মনসুর আলম জানান, সুমাইয়ার বাবার চাকরির সুবাদে তার পরিবারের সদস্যরা কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার মালুমঘাট এলাকায় বসবাস করেন। মঙ্গলবার সকালে মালুমঘাট থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে কলেজে যাওয়ার পথেই চুনতি এলাকায় এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি।
দোহাজারী হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুস সাত্তার দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার পর ঘাতক বাসটিকে আটক করা হয়েছে। নিহত ছাত্রীর লাশ বর্তমানে লোহাগাড়া ট্রমা সেন্টারে রাখা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর লাশটি তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন