দুই দিনের দ্বিপাক্ষিক রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়া যাওয়া বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে একটি বিশেষ ভিডিও প্রকাশ করেছে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপলোড করা ২ মিনিট ৪০ সেকেন্ডের এই ভিডিওটির মূল আকর্ষণ হলো, এতে আবহ সঙ্গীত বা ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক হিসেবে হাবিব ওয়াহিদ ও মেহরনিগরি রুস্তামের গাওয়া জনপ্রিয় বাংলা গান ‘মহাজাদু’ ব্যবহার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল ৯টার দিকে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে ভিডিওটি প্রকাশ করার মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যেই তা ৯ লাখেরও বেশিবার দেখা হয়েছে। ভিডিওটিতে দুই দেশের সরকারপ্রধানের মধ্যকার উচ্চপর্যায়ের বৈঠক, আনুষ্ঠানিক মধ্যাহ্নভোজ, বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক আয়োজনসহ সফরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ মুহূর্ত ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
ভিডিওর মাঝামাঝি একটি অংশে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করতে শোনা যায়। তিনি বলেন, “অবশ্যই, যৌথ প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশ এবং এখানে (মালয়েশিয়ায়) থাকা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সংকট সমাধানের চেষ্টা করব। একইসঙ্গে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের কার্যালয় এবং আসিয়ানের (ASEAN) মাধ্যমে আমরা মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করব, যাতে এই সমস্যার একটি আংশিক বা স্থায়ী সমাধান করা যায়।”
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠনের চার মাস পর প্রথম বিদেশ সফরে গত রোববার মালয়েশিয়া পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দুই দিনের এই সফল সফর শেষ করে গত সোমবার তিনি চীনের তালিয়ান শহরের উদ্দেশ্যে রওনা হন।
মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রাজায়ায় সোমবার অনুষ্ঠিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে জিয়া পরিবারের সঙ্গে নিজের বহু বছরের পুরনো ও গভীর সম্পর্কের কথা আবেগঘন কণ্ঠে স্মরণ করেন আনোয়ার ইব্রাহিম। তিনি বলেন, “আমরা সৌভাগ্যবান যে, আপনার প্রয়াত বাবা (শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান) ও মায়ের (সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া) সঙ্গে আমাদের ব্যক্তিগত পরিচয় ছিল। আমি তাকে (তারেক রহমানকে) আমার জীবনের প্রথম অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছি—যখন আমি একজন সাধারণ যুবনেতা হিসেবে মৌচাক ক্যাম্পে তার বাবার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলাম।”
তিনি আরও যোগ করেন, “পরবর্তীতে তৎকালীন উপ-প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আপনার প্রয়াত মায়ের সঙ্গেও বেশ কয়েকবার দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে আমার দেখা হয়েছিল। এর চেয়েও বড় কথা হলো, ভাই তারেক রহমান এবং তার পুরো পরিবার চরম কষ্ট ও দীর্ঘ সংগ্রাম সহ্য করেছেন। তিনি নিজের দেশের মানুষকে গভীরভাবে ভালোবাসেন এবং তাদের স্বাধীনতা ও উন্নতির পক্ষে নিজের রাজনৈতিক আদর্শে সবসময় অবিচল থেকেছেন।”

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
দুই দিনের দ্বিপাক্ষিক রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়া যাওয়া বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে একটি বিশেষ ভিডিও প্রকাশ করেছে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপলোড করা ২ মিনিট ৪০ সেকেন্ডের এই ভিডিওটির মূল আকর্ষণ হলো, এতে আবহ সঙ্গীত বা ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক হিসেবে হাবিব ওয়াহিদ ও মেহরনিগরি রুস্তামের গাওয়া জনপ্রিয় বাংলা গান ‘মহাজাদু’ ব্যবহার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল ৯টার দিকে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে ভিডিওটি প্রকাশ করার মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যেই তা ৯ লাখেরও বেশিবার দেখা হয়েছে। ভিডিওটিতে দুই দেশের সরকারপ্রধানের মধ্যকার উচ্চপর্যায়ের বৈঠক, আনুষ্ঠানিক মধ্যাহ্নভোজ, বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক আয়োজনসহ সফরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ মুহূর্ত ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
ভিডিওর মাঝামাঝি একটি অংশে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করতে শোনা যায়। তিনি বলেন, “অবশ্যই, যৌথ প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশ এবং এখানে (মালয়েশিয়ায়) থাকা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সংকট সমাধানের চেষ্টা করব। একইসঙ্গে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের কার্যালয় এবং আসিয়ানের (ASEAN) মাধ্যমে আমরা মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করব, যাতে এই সমস্যার একটি আংশিক বা স্থায়ী সমাধান করা যায়।”
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠনের চার মাস পর প্রথম বিদেশ সফরে গত রোববার মালয়েশিয়া পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দুই দিনের এই সফল সফর শেষ করে গত সোমবার তিনি চীনের তালিয়ান শহরের উদ্দেশ্যে রওনা হন।
মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রাজায়ায় সোমবার অনুষ্ঠিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে জিয়া পরিবারের সঙ্গে নিজের বহু বছরের পুরনো ও গভীর সম্পর্কের কথা আবেগঘন কণ্ঠে স্মরণ করেন আনোয়ার ইব্রাহিম। তিনি বলেন, “আমরা সৌভাগ্যবান যে, আপনার প্রয়াত বাবা (শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান) ও মায়ের (সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া) সঙ্গে আমাদের ব্যক্তিগত পরিচয় ছিল। আমি তাকে (তারেক রহমানকে) আমার জীবনের প্রথম অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছি—যখন আমি একজন সাধারণ যুবনেতা হিসেবে মৌচাক ক্যাম্পে তার বাবার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলাম।”
তিনি আরও যোগ করেন, “পরবর্তীতে তৎকালীন উপ-প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আপনার প্রয়াত মায়ের সঙ্গেও বেশ কয়েকবার দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে আমার দেখা হয়েছিল। এর চেয়েও বড় কথা হলো, ভাই তারেক রহমান এবং তার পুরো পরিবার চরম কষ্ট ও দীর্ঘ সংগ্রাম সহ্য করেছেন। তিনি নিজের দেশের মানুষকে গভীরভাবে ভালোবাসেন এবং তাদের স্বাধীনতা ও উন্নতির পক্ষে নিজের রাজনৈতিক আদর্শে সবসময় অবিচল থেকেছেন।”

আপনার মতামত লিখুন